Somoy TV
শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা পেশোয়ার জালমির হয়ে শেষ ম্যাচটা খেলেছেন ১৩ এপ্রিল। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ওই ম্যাচে ২৪ রানের জয়ে পেশোয়ারের প্লেঅফের পথ অনেকটাই সুগম হয়ে যায়। এরপর বাংলাদেশি দুই পেসার জাতীয় দলকে সার্ভিস দিতে দেশে ফিরেছিলেন।শরিফুল ও নাহিদ দুজনই গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডেতে খেলেছেন। ওদিকে তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি একই দিন প্লেঅফে খেলা নিশ্চিত করল। ম্যাচ না থাকলেও লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষে কোয়েটার ৬ উইকেটের জয়ে প্রথম দল হিসেবে পেশোয়ারের প্লেঅফ নিশ্চিত হয়েছে।প্রথম ৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকা পেশোয়ার ১৫ এপ্রিলের ম্যাচেও জয়ের ধারা ধরে রেখেছে। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে তারা জিতেছিল ৮ উইকেটে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ৭ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট ১৩। তার মানে দাঁড়ায়, অন্য কোনো দল টপকে গেলেও পেশোয়ারের সেরা চার নিশ্চিত।পেশোয়ার টিকিট পেয়ে গেলেও প্লেঅফের দৌড়ে বাকি সবাই টিকে আছে। পেশোয়ারের পরেই আছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, পরের ক্রমগুলোতে যথাক্রম মুলমান সুলতানস ও কোয়েটা। ইসলামাবাদের ৯, মুলতানের ৮ ও কোয়েটার পয়েন্ট ৬। পাঁচ ও ছয়ে থাকা হায়দরাবাদ কিংসম্যান ও করাচি কিংসের পয়েন্ট সমান ৬ করে। প্রথম দল ম্যাচ খেলেছে ৭টি, করাচি ৬টি। ৭ নম্বরে থাকা লাহোরের পয়েন্ট ৬, তারা ম্যাচও খেলেছে সমানসংখ্যক। আর রাওয়ালপিন্ডি তো এখনও কোনো পয়েন্টই পায়নি।আরও পড়ুন: ভুল সময়ে উইকেট পড়াতে বাংলাদেশ পিছিয়ে গেছে, মনে করেন সাইফপেশোয়ারের এই যাত্রায় কুশাল মেন্ডিস, সুফিয়ান মুকিম, বাবর আজম ও ইফতিখার আহমেদের ভূমিকাই সবচেয়ে বড়। মেন্ডিস (৬ ইনিংসে ৩৩০ রান) ও বাবর (৬ ইনিংসে ৩০১ রান) এখন পর্যন্ত আসরের সেরা দুই রানসংগ্রাহক। মুকিম ও ইফতিখার সেরা তিন বোলারের দুজন। মুকিম ১৬ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি, ১০ উইকেট নেওয়া ইফতিখার আছেন তিনে। নাহিদ রানার অবদানও উল্লেখ করার মতো।সব কটি ম্যাচ না খেলেও বাংলাদেশি পেসার উইকেট শিকারের দিক থেকে ওভারঅল অষ্টম ও পেশোয়ারের তৃতীয় সেরা বোলার। ৪ ম্যাচে ১০.৮৫ গড় ও ৫.৪২ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৭ উইকেট। এক ম্যাচে ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিনি নিয়েছিলেন ৩ উইকেট নেন। অবশ্য শরিফুলের আসরটা মোটের ওপর ভালো যায়নি। ৫ ম্যাচ খেলে তিনি শিকার করেছেন কেবল ২ উইকেট।
Go to News Site