Collector
রমেকে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম শিশুর মৃত্যু | Collector
রমেকে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম শিশুর মৃত্যু
Somoy TV

রমেকে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম শিশুর মৃত্যু

‎রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।‎শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক মো. তানভীর।তিনি বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় লালমনিরহাট থেকে আসা হাম উপসর্গ নিয়ে সাত মাস বয়সী তানজিদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রমেক হাসপাতালে গত এক মাসে এই প্রথম হাম উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু হলো। তানজিদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের তালমাটি এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে।এ পর্যন্ত হাসপাতালে ৮০টি শিশু হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়। এর মধ্যে ৫৭টি শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে ভর্তি আছে ২২ জন। তবে এর মধ্যে কারও হাম পজিটিভ আসেনি।আরও পড়ুন: হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যুরংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের এক কর্নারে হাম উপসর্গের শিশুদের বিশেষভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান ডাক্তার তানভীর।ডা. মো. তানভীর আরও বলেন, ‘শিশুটি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ১২ থেকে ১৪ দিন ভর্তি ছিল। তারপর র‌্যাশ হওয়ার পরে ১৫ এপ্রিল আমাদের এখানে পাঠানো হয়। প্রথম থেকে শিশুটির পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল।’‎শিশুটির মা তিথি মনি বলেন, ‘ঈদের দুদিন পর লালমনিরহাট হাসপাতালে নিউমোনিয়া আশঙ্কা করে চিকিৎসা চলে। তারপর বাচ্চা একটু সুস্থ হয়, বাসায় নিয়ে যাই। আবার অসুস্থ হয়। এরকম করে দুই-তিনবার ভর্তি করেছি। পরে পহেলা বৈশাখের দিন নিয়ে গেছি। ওখানে শিশু ডাক্তার আসেননি। পরে আমার বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়, ওখানে অক্সিজেন দিয়ে পরদিন রংপুরে নিয়ে আসি। রংপুরের বেসরকারি কমিউনিটি মেডিকেলে ভর্তি করলে তারা হাম আক্রান্তের কথা বলে রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়।আরও পড়ুন: হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪২রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ রংপুর মেডিকেল কলেজে হাম উপসর্গ নিয়ে প্রথম রোগী ভর্তি করা হয়। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ৮০ শিশু ভর্তি হয়। এরমধ্যে ৫৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।শনিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত রমেকে মোট ২২টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাম কর্নারে ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৬টি শিশু। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের পাশে ১০ শয্যার একটি হাম কর্নার করে এসব শিশুকে চিকিৎসা দেয়া হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পরবর্তী সময় আরও একটি হাম কর্নার করা হয়েছে।‎রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা শিশুদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আলাদা ওয়ার্ড তৈরি করেছি। যেখানে শিশুদের নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়। কারও উপসর্গ দেখা দিলে চিন্তিত না হয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসারও পরামর্শ দেন তিনি।

Go to News Site