Collector
হরমুজ খোলার জন্য পারলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে দেখাক ট্রাম্প: আইআরজিসি | Collector
হরমুজ খোলার জন্য পারলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে দেখাক ট্রাম্প: আইআরজিসি
Somoy TV

হরমুজ খোলার জন্য পারলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে দেখাক ট্রাম্প: আইআরজিসি

সরকারি অনুমতি ছাড়া বা নৌবাহিনীর সতর্কতা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজকে ইরানি বাহিনী ‘লক্ষ্যবস্তু’ করবে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার।হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণকে ইরানের সার্বভৌমত্বের অংশ উল্লেখ করে ওই কমান্ডার সতর্ক করে বলেছেন, ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের জবাব হবে ‘কঠোর ও তাৎক্ষণিক’, যা ওয়াশিংটনের চিন্তার বাইরে। খবর রয়া নিউজের। ওই নৌ কমান্ডার সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে, ইরানের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করার তার পূর্ববর্তী হুমকির গুরুত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি তার হুমকি নিয়ে সিরিয়াস হন, তবে তিনি কেন শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য তার যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছেন না? সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে মার্কিন নৌবাহিনীর ‘অনাগ্রহ’ ইরানের প্রতিরোধ কৌশলের কার্যকারিতাই প্রমাণ করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন: কোনো জাতিকে অধিকারবঞ্চিত করার ট্রাম্প কে? প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব মন্তব্য এলো, যেখানে ইরান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বাহ্যিক চাপের জবাবে হরমুজ প্রণালীকে একটি কৌশলগত চাপ প্রয়োগের কেন্দ্রস্থল হিসেবে ব্যবহারের ইচ্ছার কথা বারবার জানিয়ে আসছে। এদিকে, ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছে আইআরজিসি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যে সুযোগ ছিল, তাও বাতিল করা হয়েছে। আইআরজিসি’র নৌবাহিনী শাখা সতর্ক করে বলেছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের  এই অবরোধকে দুই দেশের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে। এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের কোনো আস্থা নেই এবং ‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বাঘের গালিবাফ ইরানের সামরিক সক্ষমতার প্রশংসা করেন। তার দাবি, ইরানি বাহিনী শত্রুদের ১৮০টি ড্রোন এবং একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত করেছে।  আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালী ফের বন্ধের ঘোষণা ইরানের ইরানের বিচার বিভাগের সরকারি সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, ‘এফ-৩৫-এ আঘাত করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি প্রযুক্তিগত ও নকশাগত বিভিন্ন সক্ষমতার সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অপারেশন।’ অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রস্তাব পাঠালেও তা পর্যালোচনা করে এখনো কোনো জবাব দেয়নি ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা অতিরিক্ত দাবি মানবে না এবং নিজেদের স্বার্থে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে। এমনকি দ্বিতীয় দফা আলোচনায় এখনো রাজি হয়নি দেশটি।

Go to News Site