Somoy TV
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেটেলাররা একটি ফিলিস্তিনি বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। পৃথক এক হামলায় এক ফিলিস্তিনি বৃদ্ধাকে মারধর করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার তিন ছেলেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী আটক করেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।প্রতিবেদন মতে, গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) একদল ইসরাইলি দখলদাররা উত্তর-পূর্ব রামাল্লার তুরমুস আইয়া শহরে হামলা চালায় এবং একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বাধা দিলে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এদিন দখলদাররা অন্য একটি পরিবারের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি তুরমুস আইয়া বারবার ইসরাইলি দখলদারদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। ইসরাইলি সেটেলাররা বসতি সম্প্রসারণের জন্য বিশাল এলাকা দখল করার পাশাপাশি প্রায়ই ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও সম্পত্তিকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। শনিবার এমন একাধিক হামলা চালানো হয়। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার তথ্য মতে, এদিন পূর্ব হেবরনের ওয়াদি খনেইস এলাকায় ফিলিস্তিনিরা যখন তাদের জমিতে চাষাবাদ করছিলেন, তখন ইসরাইলি দখলদারদের হামলায় এক বয়স্ক ফিলিস্তিনি নারী আঘাত পান। আরও পড়ুন: নজিরবিহীন হামলার পরও ইরানের অস্ত্রভাণ্ডারের বেশিরভাগই এখনও অক্ষত ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট ওই নারীকে চিকিৎসার জন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তর করে। এরপর ইসরাইলি বাহিনী তার তিন ছেলেকে আটক করে। ওয়াফা আরও জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী এদিন পূর্ব নাবলুসের বেইত দাজান গ্রামের প্রবেশপথের কাছে এক তরুণ ফিলিস্তিনিকে প্রচণ্ড মারধরের পর আটক করে। ইয়াজান জাবর নামে ওই তরুণ ছয় মাস আটক থাকার পর চলতি সপ্তাহে ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার দুই দিন পর ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে আবারও তাকে আটক করে। আনাদোলুর একজন সংবাদদাতা জানান, মুক্তির পর আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা জাবরকে গ্রহণ করার সময় ইসরাইলি সৈন্যরা তার বাড়িতে হানা দেয়। অভিযান চলাকালে ইসরাইলি বাহিনী স্টান গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে, কিন্তু কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি দখলদার ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ১,১৪৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত, ১১,৭৫০ জন আহত এবং প্রায় ২২,০০০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। আরও পড়ুন: হরমুজ খোলার জন্য পারলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে দেখাক ট্রাম্প: আইআরজিসি
Go to News Site