Collector
সুরভি স্কুল পরিদর্শন করলেন মার্কিন বিশেষ দূত, সহযোগিতার আশ্বাস | Collector
সুরভি স্কুল পরিদর্শন করলেন মার্কিন বিশেষ দূত, সহযোগিতার আশ্বাস
Jagonews24

সুরভি স্কুল পরিদর্শন করলেন মার্কিন বিশেষ দূত, সহযোগিতার আশ্বাস

শিশু শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘সুরভি স্কুল’ পরিদর্শন করেছেন মার্কিন বিশেষ দূত ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। রোববার (১৯ এপ্রিল) ‘সুরভি’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মার্কিন বিশেষ দূত (বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস) চার্লস জে. হার্ডার এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদার করাই এ পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বর্তমানে শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য নিরাপত্তা, উন্নত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা (ওয়াশ) এবং শিশু সুরক্ষাবিষয়ক উদ্যোগগুলো বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। সুরভির প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া শাহিনা খান জামানসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও শিশুদের বিকাশে সুরভির দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি দিতে স্কুলটি পরিদর্শন করেন মার্কিন প্রতিনিধিদল। এ সময় স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আয়োজন করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)। এই মেডিকেল ক্যাম্পে ৩০০ জনের বেশি শিশুর চোখ, দাঁত ও সাধারণ শিশু রোগ বিষয়ে পরীক্ষা করা হয়। জেডআরএফ প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান, নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, পরিচালক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং ডা. আমান উল্লাহ। অনুষ্ঠানে দুটি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে সুরভি ও জেডআরএফের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ও অবদান তুলে ধরা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা ও শিশু স্বাস্থ্য খাতে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন। তার উপস্থিতি শিশুদের কল্যাণ ও বিকাশে সরকারের গভীর আগ্রহ ও সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটায়। সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মাত্র একজন শিক্ষার্থী নিয়ে ‘সুরভি’ প্রতিষ্ঠা করেন। গত ৪৬ বছরে এ সংস্থাটি প্রায় ২৮ লাখ সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেছে। সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর রচিত ‘ঝরাপাতা’ কবিতার দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঝরে পড়া শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যকার এ মেলবন্ধন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কেএইচ/এমএএইচ/

Go to News Site