Somoy TV
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনভেশন সেন্টারের পরিদর্শন করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় তিনি কেন্দ্রটি ঘুরে দেখেন এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন। এসময় কেন্দ্রটির পরিচালক ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন মুন্না উপাচার্যের সামনে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সার্ভার রুম, স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা, ল্যাব স্পেস এবং ডিসপ্লে ইউনিটসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন উপাচার্য। পরে কেন্দ্রটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে ব্রিফিং দেয়া হয়। পরিদর্শন শেষে উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই কেন্দ্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় সম্পদ। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, চীনের সহযোগিতায় নির্মিত এই অত্যাধুনিক অবকাঠামো বঙ্গোপসাগর থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহে সহায়ক হবে এবং শিক্ষার্থীদের ব্লু ইকোনমি ভিত্তিক গবেষণায় নতুন সুযোগ তৈরি করবে। আরও পড়ুন: পড়ার টেবিলে হঠাৎ ঢলে পড়েন চবি শিক্ষার্থী জীবক চাকমা, বাঁচানো গেল না জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর এ প্রকল্পটি শুরু হয় অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের প্রস্তাবের মাধ্যমে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চীনের সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (SIO)-এর সঙ্গে ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৬তম সিন্ডিকেট সভায় প্রকল্পটিকে স্বতন্ত্র কেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয় এবং বর্তমান নামে কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কেন্দ্রটির অগ্রগতি সম্পর্কে পরিচালক জানান, অবকাঠামোগত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে স্যাটেলাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ, প্রসেসিং প্রোগ্রামিং এবং অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী মে মাসের মধ্যে কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। আরও পড়ুন: চবিতে অব্যাহতি নিলেন ২ সহকারী প্রক্টর তিনি আরও বলেন, উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে জুনের প্রথম সপ্তাহে কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
Go to News Site