Somoy TV
সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে যাত্রা শুরু করেও অনেক বাংলাদেশি এখন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কঠোর পরিশ্রম, সঞ্চয় এবং দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে বদলে দিয়েছেন নিজেদের ভাগ্য। বিনিয়োগ লাইসেন্স নিয়ে গড়ে তুলছেন বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে বহু বেকার প্রবাসীর জন্য।সৌদি আরবে গ্রোসারি, রেস্টুরেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, কনস্ট্রাকশন ও ক্লিনিং সার্ভিসসহ নানা খাতে এখন শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশিরা। ছোট পরিসরে শুরু করলেও অনেকেই আজ বড় উদ্যোক্তা। একসময় শ্রমিক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও এখন তারা সফল ব্যবসায়ী। পাশাপাশি নিয়মিত দেশে রেমিট্যান্সও পাঠাচ্ছেন। সৌদি সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা এবং সহজ লাইসেন্স প্রক্রিয়া প্রবাসীদের ব্যবসায় আগ্রহ বাড়াচ্ছে। এতে বৈধ বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে। তবে শুরুটা সহজ ছিল না। লাইসেন্স, নিয়ম-কানুনসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধীরে ধীরে তারা এখন স্থিতিশীল অবস্থানে পৌঁছেছেন। আরও পড়ুন: ভিজিট ভিসায় হজ পালন নিয়ে সৌদি আরবের সতর্কবার্তা প্রবাসীরা জানান, ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় সৌদি সরকার বিনিয়োগ লাইসেন্স দিচ্ছে এবং আকামা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে, যাতে প্রবাসীরা সহজে ব্যবসা করতে পারেন। তাই যারা বিদেশে কিছু করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য সৌদি আরব এখন একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হজ ও ওমরাহ ঘিরে ট্রাভেল ও সেবাখাতেও বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বিশ্বস্ত সেবার মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করছেন। প্রবাসী ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই খাতে সৌদি আরবে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে এবং অনেকেই ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২০০ জনের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা করছেন। এই প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাত ধরে শুধু ব্যবসা নয়, তৈরি হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থানও। বেকার প্রবাসীদের জন্য খুলছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি খাতে এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মিলিত অগ্রযাত্রার প্রতিফলন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা থাকলে এ ধরনের বিনিয়োগ আরও বাড়বে এবং দেশেও বাড়বে রেমিট্যান্স প্রবাহ।
Go to News Site