Somoy TV
গতকাল সূর্যটা যখন ডুবেছিল হাবিবুর রহমানের ঘরেও হয়তো আর সব পরিবারের মতোই হাসি-কান্নার সাধারণ গল্প ছিল। কে জানত, রাতটিই হবে তাদের শেষ রাত! স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানসহ ঘাতকের হাতে প্রাণ দিতে হবে তাকে!মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে ফজরের নামাজের পর হাবিবুরের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজায় রক্তের রেখা দেখতে পান। এতে তার সন্দেহ হয়। ভেতরে ঢুকে তিনি দেখতে পান ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৫), পুত্রবধূ পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩) এর নিথর দেহ বিছানায় পড়ে আছে। রক্তাক্ত দেহগুলো বিছানার চাদর দিয়ে ঢাকা।বৃদ্ধ নমির হোসেনের আর্তনাদে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খবর দেয়া হয় নিয়ামতপুর থানায়। পুলিশ এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠায়।নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, হাবিবুর এবং তার স্ত্রীকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আর তাদের দুই শিশু সন্তানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে। আরও পড়ুন: খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে তিনি বাড়িতে ফেরেন সোমবার রাত ৮টার দিকে। তার কাছে গরু বিক্রির বেশ কিছু টাকা ছিল। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানতে পারেনি পুলিশ। থানায় মামরার প্রস্তুতি চলছে। এরমই মধ্যে সন্দেহজনকভাবে নিহত হাবিবুরের এক বোনকে আটক করা হয়েছে।
Go to News Site