Collector
ঘুস দাবির অভিযোগে দুই এডিসিসহ ৪ জনের নামে মামলা | Collector
ঘুস দাবির অভিযোগে দুই এডিসিসহ ৪ জনের নামে মামলা
Jagonews24

ঘুস দাবির অভিযোগে দুই এডিসিসহ ৪ জনের নামে মামলা

ঘুস দাবির অভিযোগে কক্সবাজারের দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট নথি তলবের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তরা হলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব, সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দিন আহমদ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার অফিস সহকারী অনিক দে এবং নিম্নমান সহকারী মোহাম্মদ এমরান। বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক প্রফেসর আখতার আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক মো. আবদুর রহিম এ আদেশ দেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে মহেশখালীর ছৈয়দ নুরকে ১৫ লাখ টাকা ধার দেন প্রফেসর আখতার আলম। পরে দেনাদার টাকা পরিশোধে গড়িমসি করলে তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করা হয়। আদালত বিবাদীকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে বরাদ্দ অর্থ থেকে টাকা ফেরতের আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পাওনা অর্থ ফেরতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দিন আহমদ নানা অজুহাতে বিষয়টি আটকে রাখেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে পুনরায় আদালতের শরণাপন্ন হলে আবারও অর্থ ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, নিজাম উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসেন সজীব যোগসাজশে প্রাপ্য অর্থ ছাড়ের বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ ঘটনায় পুনরায় আদালতে আবেদন করলে বিচারিক হাকিম মো. আবদুর রহিম মামলাটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ শাখার নথি তলবের নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে ঘুষ দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে আদালতের আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বাদী প্রফেসর আখতার আলম বলেন, আমি ন্যায়বিচার পাওয়ার আশাবাদী। মামলার বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, অভিযোগটি অতিরঞ্জিত। সত্য গোপন করে ঘুষ দাবির মিথ্যাচার করা হয়েছে। ওনার প্রাপ্যের সঙ্গে সমন্বয় করতে আদালত থেকে যে নির্দেশনা এসেছিল সেখানে টাকার পরিমাণ ছিল দুই লাখ ২২ হাজার। অথচ আমরা ওনার কাছ থেকে চার লাখ টাকা ‘বিনিময়’ চেয়েছি বলে দাবি করা হাস্যকর। মূল কথা হলো যে অধিগ্রহণের মামলায় ওনার টাকা সমন্বয় করতে আদেশ এসেছিল, সেই মামলার রোয়েদাদে আবেদনকারির নাম উল্লেখ ছিল না। তাই আইনি গ্যাঁড়াকলের কারণে ওনার নামে অধিগ্রহণের চেক দেয়ার পসিবল হয়ে উঠেনি। সেটা লিখিত ভাবে আদালতে জানানো হয়েছে। মামলার আবেদনকারি এনসিপির জেলা সভাপতি হয়ে আসার আগে পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে মুখোমুখি পরিচয়ও ছিল না। সায়ীদ আলমগীর/এএইচ/এমএস

Go to News Site