Somoy TV
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বন্দর ও তেল বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত নৌ অবরোধ নিয়ে নতুন করে বক্তব্য দিয়েছেন।বুধবার (২২ এপ্রিল) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে এসব তথ্য তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি দাবি করেন, ‘কয়েক দিনের মধ্যেই‘ খার্গ দ্বীপে অবস্থিত ইরানের তেল সংরক্ষণাগার সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ হয়ে যাবে এবং দেশটির ‘নাজুক তেল কূপগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে’। স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য সীমিত করা সরাসরি দেশটির শাসকগোষ্ঠীর রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ‘অর্থনৈতিক চাপ’ কৌশলের মাধ্যমে ইরানের তহবিল সংগ্রহ, স্থানান্তর এবং দেশে অর্থ ফেরত আনার সক্ষমতা কমিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা গোপনে ইরানের বাণিজ্যকে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা করবে, তারা ভবিষ্যতে কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকার মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে, যা তার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল না। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের অনুরোধে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে, যাতে দেশটির নেতারা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারেন। এ প্রেক্ষিতে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং অন্য সব দিক থেকে প্রস্তুত ও সক্ষম থাকতে বলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ইরানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব জমা দেয়া এবং আলোচনা কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। সূত্র-বিসিবি
Go to News Site