Collector
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ছে ক্ষিরার আবাদ, প্রতি হাটে অর্ধ কোটি টাকার বেচাকেনা | Collector
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ছে ক্ষিরার আবাদ, প্রতি হাটে অর্ধ কোটি টাকার বেচাকেনা
Somoy TV

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ছে ক্ষিরার আবাদ, প্রতি হাটে অর্ধ কোটি টাকার বেচাকেনা

বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এবার ক্ষিরার ফলন বেশ ভালো হয়েছে। বিক্রির জন্য উপজেলার দিঘরিয়ায় প্রতিদিন বসছে হাট, যেখানে দৈনিক অন্তত অর্ধ কোটি টাকার ক্ষিরা কেনাবেচা হচ্ছে।চলনবিল অঞ্চলে ধান, সরিষাসহ অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি এবার ক্ষিরার উৎপাদনও সন্তোষজনক হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকেরা প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মণ পর্যন্ত ফলন পাচ্ছেন। এসব ক্ষিরা প্রতিমণ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাড়াশের কৃষক বাবুল মিয়া বলেন, গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় এবার জেলায় ৮৫০ হেক্টর জমিতে ক্ষিরার চাষ হয়েছে। কম সময়ে ফসল বিক্রি করতে পারা এবং ভালো লাভ হওয়ায় দিন দিন এর আবাদ বাড়ছে। এখানকার উৎপাদিত ক্ষিরা বিক্রির জন্য তাড়াশ উপজেলার দিঘরিয়ায় প্রতিদিন হাট বসে। চলতি বছর বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে। আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকটে চরাঞ্চলে ব্যাহত সেচ কার্যক্রম, ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা গাজীপুর থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আলী আশরাফ বলেন, এখানকার ক্ষিরার চাহিদা অনেক বেশি। তাই ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এই হাটে আসছেন। প্রতি হাটে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। চলনবিল অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত ক্ষিরার চাহিদা দিন দিন আরও বাড়ছে। তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেনগুপ্তা জানান, সঠিক মাঠ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্ষিরার ফলন বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ ও সহায়তাও দেয়া হচ্ছে। এবার সিরাজগঞ্জ জেলায় ১৫ হাজার ৫৩০ টন ক্ষিরা ও শসা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

Go to News Site