Collector
রেফার বন্ধের নির্দেশ অমান্য, বাড়ছে হাম রোগীর চাপ | Collector
রেফার বন্ধের নির্দেশ অমান্য, বাড়ছে হাম রোগীর চাপ
Somoy TV

রেফার বন্ধের নির্দেশ অমান্য, বাড়ছে হাম রোগীর চাপ

পৃথিবীর আলোতে এসেই কৃত্রিম বাতাসে বাঁচার লড়াই করছে ৫ মাসের অবুঝ শিশু। হামের প্রকোপ ক্রমেই দুর্বল আর নিস্তেজ করে দিচ্ছে তাকে। একটু সুস্থ করার চেষ্টায় হাসপাতালে দিন-রাত এক করে দিচ্ছেন স্বজনরা।পাঁচ মাসের এই শিশুর মতো হাম আক্রান্ত অনেক রোগীর অভিভাবককে বেড পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরতে হচ্ছে।হাম আক্রান্ত রোগী রেফার বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশনা মানছে না অনেক হাসপাতাল। হামের রোগীকে রেফার করছে অন্য হাসপাতালে।হাম রোগের শুরুতে স্বাভাবিক জ্বর ভেবে অনেককে প্রথমে বাড়িতেই চিকিৎসা দেয়া হয়। আবার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসক হাম শনাক্ত করতে পারছেন না। এ কারণেই পরিস্থিতি গুরুতর হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাব কিছুতেই কমছে না, প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মৃত্যুর মিছিলও থামছে না। শুধুমাত্র মহাখালী ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে ৪৮৪ শিশু ভর্তি আছে।হাম আক্রান্ত এক শিশুর স্বজন বলেন, প্রথমে এলাকার কয়েকজন চিকিৎসককে দেখাই। তারাই এখানে রেফার করেছে।আরও পড়ুন: শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীহাম আক্রান্ত আরেক রোগীর মা বলেন, প্রথমে বুঝতে পারিনি। এলাকায় প্রফেসর দেখিয়েছিলাম। সেখান থেকে মাতুয়াইল আসি। সেখানে ভর্তি নেয়নি। তাই এখানে এসেছি।এক মা বলেন, আমি আমার সন্তানের ঠোঁটে ঘা দেখে অনুমান করতে পেরেছি এটা হাম হতে পারে। তখন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। র‌্যাশ বের হওয়ার আগে চিকিৎসকও বুঝতে পারেন না বাচ্চাটা কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছে।চিকিৎসকরা বলছেন, ফুসকুঁড়ি ওঠার আগে হাম শনাক্ত কষ্টকর। তাই জ্বর হলেই হাম ধরে নিয়ে আইসোলেশনে রেখে রোগীর চিকিৎসা শুরু করতে হবে।এক চিকিৎসক বলেন, দুই বছরের নিচের বাচ্চারাই আমাদের কাছে বেশি আসছে। যারা আসছে তাদের বড় অংশই ভর্তি হওয়ার মতো। যত রোগীর ছুটি হচ্ছে তার চেয়ে বেশি ভর্তি হচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিন ১০-১৫ জন রোগী বাড়ছে।

Go to News Site