Collector
মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত | Collector
মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত
Somoy TV

মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বুধবার (২২ এপ্রিল) জানিয়েছে, নৌবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা ও সচিব জন ফেলান তার পদ ছাড়ছেন।পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এক বিবৃতিতে বলেন, ফেলান ‘তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ছাড়ছেন’। তার স্থলে নৌবাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি তথা উপসচিব হাং কাও ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তবে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, ফেলানকে আসলে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক সম্প্রতি খারাপ হয়ে ওঠে। অনেকেই এই পদে হাং কাওকে বেশি উপযুক্ত মনে করতেন। সূত্রগুলোর মতে, এক ভিডিওতে সিনেটর মার্ক কেলি সেনাদের ‘অবৈধ নির্দেশ না মানার’ পরামর্শ দেয়ার ঘটনায় ফেলান যথেষ্ট কড়া অবস্থান নেননি—এ জন্য হেগসেথ তাকে দায়ী করেন। এছাড়া হেগসেথের ডেপুটি স্টিফেন ফিনবার্গের সঙ্গেও তার মতবিরোধ ছিল, বিশেষ করে জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। আরও পড়ুন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হতে পারে: ট্রাম্প আল জাজিরার সাংবাদিক অ্যালান ফিশার বলেছেন, এটি একটি নাটকীয় পরিবর্তন, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন মার্কিন নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের অভিযানে ব্যাপকভাবে জড়িত। যদিও অনেক অভিযানের নেতৃত্ব দেবে সেন্টকম এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান। তারপরও এটা বেশ বড় একটি পরিবর্তন, বিশেষ করে অবরোধের ওপর ট্রাম্পের নির্ভরতার কারণে। ফেলান ওয়াশিংটনে নৌবাহিনীর বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য দেয়ার একদিন পর তার এই হঠাৎ বিদায়ের খবর এলো। এর আগে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা র‌্যান্ডি জর্জসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন। তবে ফেলানের বিদায়ের সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ফেলানের আগে সামরিক বা নৌবাহিনীর নেতৃত্বে সরাসরি কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তিনি ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মনোনয়নে এই পদে আসেন। ফেলান মূলত ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার একজন বড় অর্থদাতা ছিলেন। আরও পড়ুন: সিএনএনের বিশ্লেষণ / ট্রাম্প কেন ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি বাড়ালেন অন্যদিকে হাং কাও ২৫ বছরের অভিজ্ঞ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করেছেন। তিনি ২০২৪ সালে ভার্জিনিয়ায় সিনেট নির্বাচনে টিম কেইনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন।

Go to News Site