Collector
হরমুজে জাহাজ জব্দের তীব্র প্রতিক্রিয়া পানামার | Collector
হরমুজে জাহাজ জব্দের তীব্র প্রতিক্রিয়া পানামার
Somoy TV

হরমুজে জাহাজ জব্দের তীব্র প্রতিক্রিয়া পানামার

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের হাতে নিজেদের একটি জাহাজ জব্দ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পানামা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পানামার পতাকাবাহী ইতালির মালিকানাধীন জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেসকা হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় ইরান জব্দ করে এবং জোরপূর্বক নিজেদের জলসীমায় নিয়ে যায়।মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ইরানের এই পদক্ষেপ ‘সমুদ্র নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি’ এবং এমন সময়ে ‘অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি’ করেছে, যখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চায় হরমুজ প্রণালী যেন কোনো ধরনের হুমকি বা চাপ ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এদিকে গ্রিসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জেস গেরাপেট্রিটিস বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি গ্রিক মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে। তবে তিনি আরও বলেন, জাহাজটি ইরানি বাহিনী আটক করেছে কিনা তা ‘অস্পষ্ট’। বুধবার সিএনএন-কে গেরাপেট্রিটিস বলেন, ‘এটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ও গ্রিক মালিকানাধীন একটি জাহাজ ছিল এবং এটি হরমুজ প্রণালী থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সমস্ত গ্রিক মালিকানাধীন জাহাজকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে, সর্বোচ্চ আত্মসংযম প্রদর্শন করতে এবং প্রণালীটি অতিক্রম করা থেকে বিরত থাকার জন্য একটি সার্বিক বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছি।’ এর আগে ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) ঘোষণা করেছিল যে, হরমুজ প্রণালীতে তিনটি জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল গ্রিক পতাকাবাহী এপামিনোন্ডাস, যেটির ‘মারাত্মক ক্ষতি’ হয়েছে।  আরও পড়ুন: হরমুজে তিন কার্গো জাহাজে গুলি, দুটি জব্দ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোন্ডাস নামের দুটি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম জাহাজটি ইসরাইলি সরকারের মালিকানাধীন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাহাজ দুটি অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করছিল, বারবার নিয়ম লঙ্ঘন করছিল, নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করছিল এবং গোপনে প্রণালীটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিপন্ন করছিল।’ বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এ কারণে ‘বাহিনীর গোয়েন্দা দক্ষতা বলে হরমুজ প্রণালীতে মহান ইরানি জাতির অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জাহাজগুলোকে শনাক্ত করে থামানো হয়েছে এবং ‘তাদের কার্গো, নথি এবং রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য’ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় স্থানান্তর করা হয়েছে। আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতি বাড়ানো ‘আকস্মিক আক্রমণের জন্য সময় নেয়ার কৌশল’: ইরান আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরান কর্তৃক ঘোষিত আইন বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা অথবা এই কৌশলগত জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিপন্থি যেকোনো কার্যকলাপের ওপর ক্রমাগত নজর রাখা হবে এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Go to News Site