Collector
মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলই হলো, আপিলের সুযোগ আছে | Collector
মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলই হলো, আপিলের সুযোগ আছে
Jagonews24

মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলই হলো, আপিলের সুযোগ আছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর এ সিদ্ধান্ত দেন রিটার্নিং অফিসার ইসির যুগ্মসচিব মঈন উদ্দীন খান। তিনি বলেন, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো। তবে রিটার্নিং অফিসারের ‍সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিলের সুযোগ রয়েছে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং অফিসার ইসির উপসচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, আসনটি শূন্য হওয়ার পরে সব দল/জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামায়াত জোটের ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়। একজনের বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিদ্ধান্ত আসে। আরও পড়ুনবিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসিরএনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিলজামায়াত জোটের ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, মনিরা শারমিনের স্থগিত বুধবার বাছাইয়ে আরপিও’র বিধান তুলে ধরে রিটার্নিং অফিসার বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হলো। মনিরা শারমিন যে কাগজপত্র দিয়েছেন তাতে সরকারি পে স্কেলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এজন্য তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান মনিরা শারমিন। তিনি ২০২৩ সালে নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) পদে যোগ দেন। দুই বছর পর গত ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন এনসিপি এই নেত্রী। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৮ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল দেন এএমএম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন ইসি। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর নির্বাচন হবে ১২ মে। এমওএস/ইএ

Go to News Site