Risingbd
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের আট্টরাবাড়ি গ্রামের দরিদ্র কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী। ৮ বছর আগে মেয়েকে বিদেশে পাঠানোর সময় প্রতিবেশী সুদি মহাজন আবুল হোসেন গাজীর কাছে থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নেন। কথা ছিল, ৩৫ হাজার টাকায় সুদ হিসেবে প্রতি বছর দিতে হবে ১৭ মণ ধান। আলতাফ হোসেন গাজী প্রথম বছর ১৬ মণ ধান সুদ হিসেব পরিশোধ করেন। কিন্তু, এর পরেই তার সেজ মেয়ে সায়মার দুরারোগ্য অসুখ ধরা পড়ে। এ কারণে সুদের টাকা বা ধান দিতে না পারায় প্রতি বছর চক্র বৃদ্ধি হারে সেই সুদের টাকা যোগ হয় আসলের সঙ্গে।
Go to News Site