Collector
স্পেনের সদস্যপদ স্থগিতে মার্কিন পরিকল্পনার খবরে যা বলল ন্যাটো | Collector
স্পেনের সদস্যপদ স্থগিতে মার্কিন পরিকল্পনার খবরে যা বলল ন্যাটো
Somoy TV

স্পেনের সদস্যপদ স্থগিতে মার্কিন পরিকল্পনার খবরে যা বলল ন্যাটো

স্পেনের সদস্যপদ স্থগিতে মার্কিন পরিকল্পনার খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সামরিক জোট ন্যাটো। সংস্থাটি জানিয়েছে, জোটের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সদস্য দেশকে সাময়িকভাবে স্থগিত বা বহিষ্কার করার কোনো বিধান নেই। খবর বিবিসির।এদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এমন খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘চিন্তার কিছু নেই, আমরা ন্যাটোর প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালন করছি।’ তিনি আরও বলেন, স্পেন মিত্রদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে, তবে তা সবসময় আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ন্যাটোর অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য জার্মানিও। দেশটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, স্পেনের ন্যাটো সদস্যপদ নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘স্পেন ন্যাটোর সদস্য—এবং এটি পরিবর্তনের কোনো কারণ আমি দেখছি না।’  যেসব দেশ ইরান ও লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের কড়া সমালোচনা করে আসছে স্পেন তাদের অন্যতম। এমনকি এই যুদ্ধে ‍অংশ নেয়া মার্কিন ও ইসরাইলি বিমানগুলোর জন্য আকাশসীমা ও  তাদের কোনও ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। এতে চরম ক্ষুদ্ধ হন ট্রাম্প। তিনি স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন। মার্চ মাসের শুরুর দিকে তিনি এক বক্তব্যে বলেন, ‘স্পেন ভয়াবহ আচরণ করেছে। আমি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে বলেছি স্পেনের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করতে। আমরা স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেব। তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে চাই না।’ আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করায় ‘শাস্তি’, স্পেনকে ন্যাটো থেকে বহিষ্কারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের এক অভ্যন্তরীণ ইমেইলের বরাতে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে পর্যাপ্ত সহায়তা না দেয়ার অভিযোগে কিছু ন্যাটো মিত্র দেশকে ‘শাস্তি’ দেয়ার বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে স্পেনের ন্যাটো সদস্যপদ বাতিলের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রতিবেদন মতে, একজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন, এসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে স্পেনকে ন্যাটো থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা এবং যুক্তরাজ্যের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর দাবি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা। ইমেইলটিতে কিছু মিত্র দেশের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে, কারণ তারা ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহার, অবস্থান নেয়া এবং আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিতে অনীহা বা অস্বীকৃতি জানিয়েছে। শাস্তি হিসেবে ‘অসহযোগী’ দেশগুলোকে ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ বা মর্যাদাপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: ইরানের জন্য ‘সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে’: ট্রাম্প তবে এই ইমেইলে ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়া কিংবা ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার মতো কোনো প্রস্তাব দেয়া হয়নি। এছাড়া ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। রয়টার্সের এই প্রতিবেদন নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পেদ্রো সানচেজ সাংবাদিকদের বলেন: ‘আমরা ইমেইলের ভিত্তিতে কাজ করি না। আমরা সরকারি নথি এবং সরকারি অবস্থানের ভিত্তিতে কাজ করি, এক্ষেত্রে যা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক গৃহীত অবস্থানকে বুঝাচ্ছি।’

Go to News Site