Collector
জ্যোতিকে খোঁচা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রুমানার বিতর্কিত পোস্ট | Collector
জ্যোতিকে খোঁচা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রুমানার বিতর্কিত পোস্ট
Somoy TV

জ্যোতিকে খোঁচা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রুমানার বিতর্কিত পোস্ট

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সামাজিক মাধ্যমের আচরণ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিগার সুলতানা জ্যোতির একটি ইনিংস নিয়ে প্রকাশ্যে খোঁচা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন সাবেক অধিনায়ক রুমানা আহমেদ, যিনি একই সঙ্গে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ (কোয়াব) এর সদস্য। প্রশ্ন উঠেছে, খেলোয়াড়দের স্বার্থ রক্ষার সংগঠনের একজন সদস্য হয়ে জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ককে এভাবে বিদ্রূপ করা কতটা পেশাদারিত্বের মধ্যে পড়ে।রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে শনিবার (২৫ এপ্রিল) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। যেখানে জ্যোতি ৯০ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসটি ছিল ধীরগতির, যেখানে মাত্র একটি চার ছিল তার ব্যাটে। একই ম্যাচে সোবানা মোস্তারি খেলেন ৮০ বলে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। কিন্তু জ্যোতির মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে দল ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে থামে ২১৩ রানে। অধিনায়কের এমন মন্থর ইনিংস নিয়ে সমালোচনা হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সমালোচনার ভাষা ও ভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে রুমানা আহমেদের দুটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে। একটিতে তিনি লিখেছেন, ‘ইশশশ...৫০ টা মিস্ হইলো...’ সঙ্গে ছিল লজ্জার ইমোজি। আরেক পোস্টে তার মন্তব্য, ‘ভাই ডট তো সবাই খেলেন, নাম শুধু পিংকির হয় কেন? এইটা কি আধুনিক ক্রিকেট?’ আরও পড়ুন: বেথেলকে নিয়ে কুক–পিটারসেনের মধ্যে দ্বন্দ্বে এই মন্তব্যগুলো কেবল সমালোচনা নয়, অনেকের কাছে তা ব্যক্তিগত খোঁচা হিসেবেই প্রতীয়মান হয়েছে।  এখানেই উঠে আসে বড় প্রশ্ন, একজন কোয়াব সদস্য হিসেবে রুমানার এই আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য? কোয়াব মূলত দেশের পেশাদার ক্রিকেটারদের অধিকার, মর্যাদা ও পারস্পরিক সম্পর্ক রক্ষায় কাজ করে। এমন একটি সংগঠনের সদস্য হয়ে জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ককে প্রকাশ্যে ব্যঙ্গ করা সংগঠনের চেতনার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলেই মত অনেকের। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একজন সাবেক অধিনায়ক হিসেবে রুমানার কাছ থেকে প্রত্যাশা থাকে ভিন্ন ধরনের নেতৃত্ব ও সংযম। সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করার ক্ষেত্রেও সেই দায়িত্ববোধের প্রতিফলন থাকা উচিত। কারণ জাতীয় দলের ভেতরের পরিবেশ, খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস; এসব বিষয় অনেকাংশে নির্ভর করে সিনিয়রদের আচরণের ওপর। আরও পড়ুন: পিএসএলের বাকি অংশে খেলা হচ্ছে না মোস্তাফিজ-নাহিদের অবশ্য মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা অস্বাভাবিক নয়। জ্যোতির ইনিংস নিয়েও টেকনিক্যাল প্রশ্ন তোলা যেতে পারে, ম্যাচ পরিস্থিতিতে স্ট্রাইক রোটেশন, বাউন্ডারি খোঁজা কিংবা ইনিংসের গতি নিয়ন্ত্রণ; এসবই ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণের অংশ। কিন্তু সেটি যদি ব্যক্তিগত বিদ্রূপে রূপ নেয়, তখন তা খেলোয়াড়দের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভাজন তৈরি করতে পারে।

Go to News Site