Collector
ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বড় অংশই ব্যবহার করেনি ইরান, পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জোরদার | Collector
ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বড় অংশই ব্যবহার করেনি ইরান, পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জোরদার
Somoy TV

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বড় অংশই ব্যবহার করেনি ইরান, পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জোরদার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার একটি বড় অংশ এখনও অব্যবহৃত রয়ে গেছে বলে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে সাম্প্রতিক ভয়াবহ সংঘাতে ইরান উচ্চ পর্যায়ের প্রতিরক্ষামূলক ও পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি বজায় রেখেছে। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে ইরান বর্তমানে ১ হাজারেরও বেশি ধরনের অস্ত্র উৎপাদন করছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান এ অস্ত্র উৎপাদনে সহায়তা করছে। এমনকি কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না। তালাই-নিক হরমুজ প্রণালিকে একটি ‘নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইরান এটি ব্যবহারের মাধ্যমে আশেপাশের জলসীমার প্রভাব বিস্তার করে আসছে। আরও পড়ুন: শান্তি আলোচনার জন্য ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল: হোয়াইট হাউস এদিকে ইরানের ইয়াজদ প্রদেশের একটি আবাসিক এলাকায় মাটির গভীরে পুঁতে থাকা অবিস্ফোরিত ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা চলাকালে একটি আবাসিক এলাকার প্রায় ১৩ মিটার (প্রায় ৪৩ ফুট) মাটির নিচে ঢুকে গিয়েছিল শক্তিশালী বোমাটি। তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানলেও এটি বিস্ফোরিত হয়নি। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় বসছে ইরান ইয়াজদের নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-প্রাদেশিক গভর্নর সংবাদমাধ্যকে বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং স্থানীয় বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা যৌথভাবে এ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেন। কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই বোমাটি সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই, আল জাজিরা

Go to News Site