Collector
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ শ্রীলঙ্কার, দলকে জিতিয়েও আক্ষেপ হাসিনির | Collector
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ শ্রীলঙ্কার, দলকে জিতিয়েও আক্ষেপ হাসিনির
Somoy TV

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ শ্রীলঙ্কার, দলকে জিতিয়েও আক্ষেপ হাসিনির

ওপেনিংয়ে নেমে ব্যাট হাতে প্রায় পুরো ম্যাচটিই নিয়ন্ত্রণ করেছেন হাসিনি পেরেরা। দুই সঙ্গী ইমেশা দুলহানি ও হার্শিতা সামারাবিক্রমরার সঙ্গে বড় জুটি গড়ে নিশ্চিত করেছেন শ্রীলঙ্কার জয়। তাতে সিরিজও জিতে নিয়েছে সফরকারীরা। তবুও আক্ষেপ রয়ে গেছে হাসিনির।দলের জয়ের জন্য তখন দরকার ছিল মাত্র ৯ রানের। আর ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৫ রান দূরে ছিলেন হাসিনি। কিন্তু সোবানা মোস্তারি বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সে মাইলফলক আর ছোঁয়া হলো না তার। রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে শনিবার (২৫ এপ্রিল) তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিলো শ্রীলঙ্কা। ২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪৬.৩ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে তারা। আরও পড়ুন: আইসিসির শাস্তি পেলেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটের জয়ে সমতায় ফেরে সফরকারীরা। তাতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পরিণত হয় অলিখিত ফাইনালে। যেখানে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল সবুজরা। সোবানা মোস্তারি ছাড়া ব্যাট হাতে খুব একটা দ্যুতি ছড়াতে পারেননি আর কেউই। পাঁচ নম্বরে নেমে এ ব্যাটার ৮০ বলে ৮ চারের মারে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন। অন্যদিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪০ রানের ইনিংস খেললেও সেটি খুব একটা কার্যকর ছিল না। তার ইনিংসটি ছিল বেশ মন্থর। ৯০ বল খেলে মাত্র ১টি চার হাঁকান তিনি। এছাড়া শারমিন আক্তার ৩৬ বলে ২৫ আর রিতু মনি ১৬ বলে ২০ রান করেন। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম টাইগ্রেস। লঙ্কানদের পক্ষে ৪৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কাভিশা দিলহারি। ৪০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নিমাশা মিপাগে। আরও পড়ুন: জ্যোতিকে খোঁচা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রুমানার বিতর্কিত পোস্ট এদিকে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তুলনামুলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রাখে লঙ্কানরা। ১৫ বলে ১০ রান করে ওপেনার চামারি আথাপাত্থু আউট হলেও দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলহানি। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে পড়ে লাল সবুজরা। ৭৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৬ রান করে দুলহানি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন হাসিনি। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে তখন তিনি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মোস্তারির শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ১৩১ বলে ১৩ চারের মারে ৯৫ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন হাসিনি। তার আরেক সঙ্গী হার্শিতা সামাবিক্রমা ৫১ বলে ৮ চারের মারে ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪৯ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মারুফা। ২ ওভার বল করে ১২ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তারি। ৫০ ওভারের লড়াই হেরে বাংলাদেশের চোখ এখন টি-টোয়েন্টি সিরিজের দিকে। ২৮ এপ্রিল সিলেটে শুরু হবে দুদলের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের লড়াই।

Go to News Site