Somoy TV
দখলের কবলে পড়ে সরু ড্রেনে পরিণত হয়েছে এক সময়ের প্রশস্ত খাল। এতে বর্জ্য-পানি নিষ্কাশনে বিপাকে পড়েছেন কাঁচপুর বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তারা। বর্ষায় ময়লা উপচে পড়ায় বিরক্ত স্থানীয়রাও। ভোগান্তির কথা প্রশাসনকে জানালে তা সীমাবদ্ধ থেকেছে সরেজমিন পরিদর্শনেই। এ অবস্থায় সমস্যা সমাধানে কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে কাজ করার তাগিদ বিসিকের।নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরের একটি খাল, এখন কেবলই সরু একটি ড্রেনে পরিণত হয়েছে। বিশ্বাস করা কঠিন হলেও এটি দিয়ে একসময়ে নৌকা চলাচল করতো। তবে কালের বিবর্তনে দখল হতে হতে এই খাল এখন পরিণত হয়েছে সরু ড্রেনে।এই খালকে কেন্দ্র করেই ১৯৯২ সালে ২৫ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয় ১৩৬টি প্লটের নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বিসিক শিল্পনগরী। ১২৭টি শিল্প ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে সচল রয়েছে ১২৩টি। তবে, খালের রুগ্ন দশায় মাঝেমধ্যেই উপচে পড়ে ময়লা পানি। যা বর্ষাকালে বেশি বিপাকে ফেলে স্থানীয়দের।ডাইংয়ের বর্জ্য ঠিকমতো নিষ্কাশন না হতে পারায় বিপাকে উদ্যোক্তারাও। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়ার অভিযোগ তাদের।বাঁধন ফ্যাশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিসিকের পানি নিষ্কাসনের ক্ষেত্রে ক্যানেল হয়ে নদীতে চলে যায়। সে ক্যানেলগুলো ভরাট হয়ে গেছে। বারবার জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে বিসিকের হেড অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান হয়নি। সবপক্ষই সরেজমিন ভিজিট করেছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।’আরও পড়ুন: মশা মারার কোটি টাকা জলে গেল রসিকেরখাল উদ্ধারে ‘ওপর মহলে’ সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বিসিক কার্যালয়ের শিল্প নগরী কর্মকর্তা সজীব হোসাইন।সজীব হোসেইন বলেন, ‘শিল্প প্রতিষ্ঠানের পানিগুলো ওই খাল দিয়েই নদীতে প্রবাহিত হবে। শিল্পায়নের স্বার্থে আমরা জেলা প্রধানের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি।’তবে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খাল উদ্ধারে কয়েকটি মন্ত্রণালয় সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ না করায় বেহাল দশা থেকে মুক্তি মিলছে না বলে জানান বিসিক চেয়ারম্যান।বিসিক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিসিক যে সব জিনিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বিষয়টা সেরকম না। কয়েকটি মন্ত্রণালয় সম্মিলিত উদ্যোগে একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব।’এলাকাভেদে শিল্পনগরীগুলোকে ভাগ করে প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথাও জানান তিনি।
Go to News Site