Collector
লিমনের গ্রামের বাড়িতে মাতম, মরদেহ দেশে ফেরত চান স্বজনরা | Collector
লিমনের গ্রামের বাড়িতে মাতম, মরদেহ দেশে ফেরত চান স্বজনরা
Somoy TV

লিমনের গ্রামের বাড়িতে মাতম, মরদেহ দেশে ফেরত চান স্বজনরা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে লালডোবা এলাকায় চলছে মাতম। শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রামের মানুষ।গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জামিল আহমেদ লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফ্লোরিডার পুলিশ।এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানান, লিমন পড়ালেখা  শেষ করে অনেক বড় হয়ে দেশের সেবা করবেন। তার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।নিহত শিক্ষার্থী লিমন লালডোবা এলাকার জহুরুল হকের ছেলে। শৈশব কেটেছে গাজীপুরের মাওনা এলাকায়। বর্তমানে তারা ছোটকে নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বসবাস করেন।আরও পড়ুন: লিমন-বৃষ্টিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে রুমমেটেরস্বজনরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে গত ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন জামিল আহমেদ লিমন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যান তিনি।  তার বন্ধু নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যান। তারা দুজনই সেখানে পিএইচডি করছিলেন। গত শুক্রবার জামিল আহমেদ লিমন ও তার বান্ধবীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফ্লোরিডার পুলিশ।নিহতের স্বজনরা জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে লিমন বড় ছিল। ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছাত্র ছিল লিমন। বাবার ইচ্ছে পূর্রণ করতে তিনি সব সময় ব্যস্ত থাকতেন। গ্রামে আসলে সবার সঙ্গে মিশে যেতেন। গ্রাম তার অনেক পছন্দ ছিল। মিষ্টি তার প্রিয় খাবার। বাড়িতে আসলেই সে বায়না ধরতো মিষ্টি খেতে।আরও পড়ুন: বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন লিমন-বৃষ্টি, তার আগেই মর্মান্তিক মৃত্যুলিমনের দাদা পূর্ব বিনতটঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাজী আলতাফুর রহমান বলেন, ‘লিমন বাড়িতে আসলেই আমার কাছে বায়না ধরতো মিষ্টি খেতে। বাজার থেকে মিষ্টি এনে দিতাম। অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। সে বাবার ইচ্ছে পূরণের জন্য লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকতো। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবরে পুরো গ্রাম স্তব্দ হয়ে গেছে। গ্রামের গর্বের ধন ছিল লিমন। আমাদের সব শেষ। যারা এই ঘটনা ঘটিয়ে তাদের শাস্তি চাই। তাদের ইচ্ছে লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হোক। সরকারের কাছে এই দাবি তাদের।’লিমনের জেঠা জিয়াউল হক বলেন, ‘লিমন সর্বশেষ ২০২৩ সালে আমার মেয়ের বিয়েতে এসেছিল। এটাই তার সঙ্গে শেষ দেখা। এরপর মোবাইলে মাঝে মধ্যে কথা বলতো।’

Go to News Site