Collector
ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা, আবাহনী ক্লাব পরিদর্শনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী | Collector
ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা, আবাহনী ক্লাব পরিদর্শনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
Somoy TV

ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা, আবাহনী ক্লাব পরিদর্শনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্লাব পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণ থেকে মুক্ত রাখার ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আবাহনী ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের ফুটবলের গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ। তবে গত ১৭ বছরে এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।  তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে সরে এসে ক্লাবগুলোকে স্বাধীনভাবে পরিচালনার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। আবাহনী ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠনের মাধ্যমে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য খেলায় ক্লাবটির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।  আরও পড়ুন: রিশাদকে মানসিকভাবে শক্ত করাই লক্ষ্য: মুশতাক আহমেদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গন মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার। যুবসমাজকে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।’ তিনি মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠেই সীমাবদ্ধ রেখে মাঠের বাইরে সব ক্লাবের সংগঠক ও খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। এ সময় মোহামেডান ক্লাবের কর্মকর্তাদের আবাহনী পরিদর্শনে উপস্থিতিকে তিনি স্পোর্টসম্যানশিপের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।  তিনি আরও বলেন, ক্লাবগুলো টিকে থাকলে খেলোয়াড়রাও টিকে থাকবে। এ লক্ষ্যে সরকার সব ধরনের ক্লাবকে টেকসই সহায়তা প্রদান করবে বলেও জানান তিনি। দেশের ক্রীড়াঙ্গন ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।  আরও পড়ুন: মোস্তাফিজের-নাহিদের অনুপস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে দেখছে নিউজিল্যান্ড আমিনুল হক জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২ মে থেকে সিলেটে পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষাবর্ষে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মাঠে অংশগ্রহণের ওপরও নির্ভর করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, স্কয়ার গ্রুপের অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহাসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।

Go to News Site