Collector
১৫ ম্যাচের খরা কাটিয়ে ২০২৬ সালে প্রথম জয় পেল টটেনহ্যাম | Collector
১৫ ম্যাচের খরা কাটিয়ে ২০২৬ সালে প্রথম জয় পেল টটেনহ্যাম
Somoy TV

১৫ ম্যাচের খরা কাটিয়ে ২০২৬ সালে প্রথম জয় পেল টটেনহ্যাম

গত বছর ২৮ ডিসেম্বর প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল টটেনহ্যাম হটস্পার। পরের চার মাসে টানা ১৫ ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি স্পার্সরা। এ সময়ে তারা নামতে নামতে পয়েন্ট টেবিলের অবনমন অঞ্চলে নেমে গেছে। প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকতে এখন প্রতিটি ম্যাচই স্পার্সদের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। নিজেদের তো জিততেই হবে, পাশাপাশি প্রার্থনা করতে হবে অবনমনের লড়াইয়ে থাকা প্রতিপক্ষদের পা হড়কানোরও।২০২৬ সালে প্রিমিয়ার লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেল টটেনহ্যাম হটস্পার। শনিবার (২৫ এপ্রিল) উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে শেষদিকে পাওয়া গোলে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে টটেনহ্যাম হটস্পার। বদলি নেমে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন জোয়াও পালিনহা। এই গোলটি সাময়িকভাবে টটেনহ্যামকে অবনমন অঞ্চলের বাইরে তুলেছিল এবং প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকার আপাত আশা দেখাচ্ছিল। কিন্তু এভারটনের বিপক্ষে ওয়েস্ট হ্যামের জয়ে আবারও ১৮ নম্বরে নেমে গেছে টটেনহ্যাম।এদিন স্পার্সের কোচ হিসেবে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছেন রবার্তো ডি জার্বি। এই জয়ে তারা ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে গড়া টানা ১৬ ম্যাচ জয়হীন থাকার ক্লাব রেকর্ড স্পর্শ করার লজ্জা থেকেও বেঁচে গেছে। গত ২৮ ডিসেম্বরের পর থেকে ১৬তম ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেল স্পার্সরা। এই সময়ে তারা ৯ ম্যাচে হেরেছে, ড্র করেছে বাকি ৬ ম্যাচে।এদিন ম্যাচের ৮২তম মিনিটে পেদ্রো পোরোর কর্নার থেকে বল পেয়ে রিচার্লিসনের দুর্বল শট গোলমুখে যায়, আর সাবেক স্পার্স ডিফেন্ডার ম্যাট ডোহার্টির ভুলে অনসাইডে থাকা পালিনহা স্লাইড করে গোলটি করেন। এই গোলের পর ডি জার্বি মাঠে ঢুকে মুষ্টি উঁচিয়ে উদযাপন করেন। আরও পড়ুন: অবশেষে জয়ের দেখা পেল আর্সেনাল, শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধারএকই সময়ে চলমান ওয়েস্ট হ্যামের ম্যাচে এভারটনের সমতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্পার্স সমর্থকেরা যেন শেষ দিনের বাঁচার আনন্দে উদযাপন শুরু করেন। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, কারণ ওয়েস্ট হ্যাম আবার এগিয়ে যায় এবং অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে যায়।জয়ের দিনে ডমিনিক সোলাঙ্কে ও জাভি সিমন্সের চোট টটেনহ্যামের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। চোটের কারণে স্কোয়াডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ১১-তে পৌঁছেছে, যা আগামী সপ্তাহে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তবুও ডি জার্বি ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখতে বলছেন, এমনকি হাঁটুর গুরুতর চোট থেকে সেরে ওঠা জেমস ম্যাডিসনকেও ইতিবাচক প্রভাবের জন্য বেঞ্চে রাখছেন। যদিও পুরো ম্যাচে স্পার্স খুব ভালো খেলেনি, তবুও দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট পাওয়া এখন তাদের জন্য বড় অর্জন।ডি জার্বি বলেন, 'আমি মনে করি খেলোয়াড়রা জানে তারা কী এবং মাঠে কী করতে পারে, বিশেষ করে এই মৌসুমে। এটা সত্য যে ২০২৬ সালে আমরা কোনো লিগ ম্যাচ জিতিনি, কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টেবিলে তারা চতুর্থ হয়েছে। সেখানে ভালো করা সহজ নয়। তাই তাদের ইতিবাচক থাকতে হবে এবং আত্মবিশ্বাসী হতে হবে, কারণ তারা ভালো দল।'

Go to News Site