Jagonews24
যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপ ও হুমকির মুখে কোনো ধরনের ‘বাধ্যতামূলক’ আলোচনায় বসবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে চায়, তবে তাদের আগে শত্রুভাবাপন্ন আচরণ ও বৈরী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক ফোনালাপে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ইরানের অনড় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেশ দুটির মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করছে এবং সংলাপের পথকে জটিল করে তুলছে। ইরানি প্রেসিডেন্টের মতে, ওয়াশিংটনকে প্রথমে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ করে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের পরিচালনাগত বাধা দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়। ফোনালাপ চলাকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। শাহবাজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানান, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ সফর করেছে, যা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইরানি প্রতিনিধি দলটি গত শনিবার ইসলামাবাদ ত্যাগ করে ওমান গেছে। অন্যদিকে, একই সময়ে ওমান ও পাকিস্তানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের এই সফর বাতিল করেন। সূত্র: সিএনএনকেএএ/
Go to News Site