Jagonews24
এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইদোতে এই কম্পন অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। জেএমএ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার কিছু আগে হোক্কাইদোর দক্ষিণাঞ্চলে ৮৩ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। উরাহোরো শহরে জাপানের সিসমিক স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ‘আপার ৫’ এবং নিইকাপ্পু শহরে ‘লোয়ার ৫’ রেকর্ড করা হয়। তবে এই ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় উৎপত্তি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। আরও পড়ুন>>শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো জাপান, সুনামি সতর্কতা জারিজ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াচ্ছে জাপানমধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে মজুত থেকে তেল ছাড়বে জাপান জেএমএ কর্মকর্তা আয়াতাকা এবিতা সাংবাদিকদের বলেন, এটি সাম্প্রতিক বড় ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে যেসব এলাকায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে, সেখানে ভূমিধস ও পাথর ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। এর আগে, গত সপ্তাহে ইওয়াতে উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, যাতে অন্তত ছয়জন আহত হন। ওই ভূমিকম্পের পর ৮০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামি আঘাত হানে উপকূলে। জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল, যা প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার ভূমিকম্প ঘটে, যা বিশ্বে মোট ভূমিকম্পের প্রায় ১৮ শতাংশ। ২০১১ সালে নয় মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি এখনো তাড়া করে বেড়ায় দেশটিকে। ওই ঘটনায় প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। সূত্র: জাপান টাইমসকেএএ/
Go to News Site