Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। বিদেশে কর্মী পাঠানো ৪২ শতাংশ কমেছে - দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গত দুই মাসে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানো বিপুল সংখ্যায় কমেছে। গত বছরের ১ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এক লাখ ৪৩ হাজার ৩৫১ কর্মী বিদেশ গিয়েছিলেন। আর চলতি বছরের একই সময়ে গেছেন ৮২ হাজার ৫৬১ জন। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬০ হাজার ৭৯০ জন বা ৪২ দশমিক ৪০ শতাংশ কম। ২০২৪ সালের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের তুলনায় ওই সময় প্রায় দ্বিগুণ কর্মী বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের মার্চ এবং এপ্রিল মাসে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪ জন কর্মী বিদেশ গিয়েছিলেন।সড়ক-মহাসড়কে আতঙ্ক, বেপরোয়া ডাকাত চক্র - দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়ক-মহাসড়কে ডাকাতিসহ সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীরা পড়ছেন সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের কবলে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের টার্গেটে পরিণত হচ্ছে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও অভিযানের পরও থামছে না এই অপরাধ। পুলিশ সদর দফতরের তথ্য মতে, চলতি বছরের তিন মাস (জানুয়ারি থেকে মার্চ) পর্যন্ত সড়ক-মহাসড়ক ও বাসাবাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৩৩টি। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৫২টি, ফেব্রুয়ারিতে ৪২টি এবং মার্চে ৩৯টি। তার মধ্যে এই তিন মাসে শুধু ঢাকাতেই ১৩টি ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, দস্যুতার মামলা হয়েছে ৪৩৯টি। ঢাকায় দস্যুতার ঘটনা ঘটেছে ৫৩টি। এ ছাড়া, তিন মাসে নানাবিধ অপরাধে মামলা হয়েছে ৪১ হাজার ৯৯০টি।ভুয়া ফটোকার্ডে নতুন ডিজিটাল সন্ত্রাস - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নিতেই শিউরে ওঠেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জিনিয়া জাহান (ছদ্মনাম)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে তার ছবি সংবলিত একটি ফটোকার্ড। একটি গণমাধ্যমের লোগো সংবলিত ওই ফটোকার্ডটি শেয়ার হয়ে গেছে ১০ হাজারের বেশি। বাস্তবে ওই ফটোকার্ডের দেওয়া ক্যাপশনের সঙ্গে জিনিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই; এটি তৈরি হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল; বন্ধুবান্ধব, শিক্ষার্থী এমনকি পরিবারের লোকজনও এ নিয়ে কথা শোনান তাকে।বাল্যবিয়ের পরিধি বেড়েছে - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একসময় দরিদ্র ও গ্রামীণ সমাজে সীমাবদ্ধ থাকলেও বাল্যবিবাহ এখন শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারেও ছড়িয়ে পড়ছে। যৌন হয়রানির আশঙ্কা, সামাজিক চাপ, ‘ভালো পাত্র’ হারানোর ভয়, শিক্ষাজীবনে ব্যর্থতার মতো নানা কারণে অভিভাবকরা কন্যাশিশুর বিয়েকে নিরাপত্তা ও সমাধান হিসেবে দেখছেন। ফলে বিষয়টি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। বর্তমানে কন্যাশিশুর নিরাপত্তার সঙ্গে বাল্যবিবাহকে এক করে দেখার প্রবণতা বাড়ছে। যৌন হয়রানির আশঙ্কা থেকে মেয়েকে ‘রক্ষা’ করতে অনেক পরিবার অল্প বয়সে বিয়েকেই সহজ সমাধান হিসেবে বিবেচনা করছে।হঠাৎ আলোচনায় জঙ্গি - দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে জঙ্গি! গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পুলিশের সব ইউনিটে চিঠি দেওয়ার পরই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তার জোরদার করার পাশাপাশি গতকাল সোমবার রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আটটি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও রয়েছে। অন্য পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সরকারি স্থাপনায় একটি নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি (গোপনীয়) কামরুল আহসানের সই করা একটি দাফতরিক চিঠির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার এই সতর্কতা জারি করা হয়। শাস্তির জালে জাল শিক্ষকরা - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের জাল সনদধারী ৭৩৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এর মধ্যে ৪৭১ জনের চাকরিচ্যুতির নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। আরো ২৬২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এই ৭৩৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী জাল সনদে চাকরির মাধ্যমে সরকারের তহবিল থেকে এ যাবৎ ১৮২ কোটি টাকার বেশি বেতন-ভাতা নিয়েছেন। গতকাল সোমবার ডিআইএ থেকে ২৬২ জন জাল ও ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ২৫১ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল এবং ১১ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার ও অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা জাল। তাঁরা বিভিন্ন কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসার শিক্ষক। হামে আক্রান্ত শিশুরা পাঁচ ধরনের জটিলতার ঝুঁকিতে - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের মোটাদাগে পাঁচ ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। এসব জটিলতায় মৃত্যুও হয়। অন্যদিকে শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, হাম শিশুস্বাস্থ্যের বড় ক্ষতি করে, কিছু ক্ষতি স্থায়ী হওয়ার ঝুঁকিও আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোগবিষয়ক বিস্তৃত বর্ণনায় হাম সম্পর্কে বলা হয়েছে, হামে আক্রান্ত হলে দৃষ্টি ক্ষীণ হতে পারে, তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, কানে সংক্রমণ হয়, নিউমোনিয়াসহ তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া এনকেফালাইটিস দেখা দেয়, যার কারণে মস্তিষ্কেটেকনাফ-সেন্ট মার্টিন অঞ্চলে গ্যাসের সম্ভাব্যতা ৬ টিসিএফ - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সমুদ্রসীমায় গ্যাস ব্লক-১৮-এর অবস্থান। মিয়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষা এ গ্যাস ব্লকে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সম্ভাব্যতার তথ্য মিলছে গবেষণায়। পূর্বাঞ্চলীয় ফোল্ডবেল্ট ব্লক-১৮-এর আওতাধীন সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ও কোরাল দ্বীপে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য প্রায় ৬ হাজার ১৪৬ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) বা ছয় টিসিএফ গ্যাস সম্পদ রয়েছে বলে গবেষণায় জানা গেছে। পূর্বাঞ্চলীয় ফোল্ডবেল্টে বিপুল গ্যাসের সম্ভাব্যতার বিষয়টি দেড় দশক আগেও ইঙ্গিত দিয়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠান গুস্তাভসন অ্যাসোসিয়েটস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে দেশের সমুদ্রসীমার গভীরে গ্যাসের সম্ভাব্যতার নানা প্রক্ষেপণ থাকলেও এসব এলাকায় বৃহৎ আকারে অনুসন্ধানের বড় কোনো কার্যকর উদ্যোগ ও তৎপরতা দেখা যায়নি পেট্রোবাংলা কিংবা জ্বালানি বিভাগের তরফে। বরং গ্যাস পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে বিগত সময়ে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের গ্যাস খাতে আর্থিক সংকট দিন দিন বাড়িয়ে তোলা হয়েছে।
Go to News Site