Somoy TV
চার মাস না যেতেই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আলাদা হওয়ার আবেদন করেছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল)। ব্যাংকটির উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক সময় সংবাদকে জানান, নতুন বিনিয়োগকারী থাকায় ব্যাংকটিকে লাভজনক করা সম্ভব বলে তারা আশা করছেন।সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের চার মাসের মাথায় প্রথমবারের মতো পৃথক হওয়ার আবেদন করেছেন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক পরিচালকরা। সম্প্রতি সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হওয়ার পর ১৮-ক ধারায় পুরোনো পরিচালকরা ফেরার সুযোগ থাকায়, সেই বিধান উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেন সাবেক উদ্যোক্তা চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন পরিচালক। আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের দখলের আগে ২০০৭ থেকে টানা ১০ বছর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ১১ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছিল। ব্যাংকটির লাখ লাখ আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীর স্বার্থে নতুন বিনিয়োগকারী আনা, ঝুঁকি কমানো এবং সুশাসন নিশ্চিত করাসহ ৯টি পরিকল্পনা আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: ৫ ব্যাংক একীভূতকরণ এবং এনবিআর দুই ভাগ করা নিয়ে যা জানা গেল এসআইবিএলের সাবেক উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ডা. রেজাউল হক বলেন, এখন বিভিন্ন উৎস থেকে বিনিয়োগ পাওয়া সম্ভব। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা দরকার, যাতে ব্যাংকটিকে পুনরায় শক্তিশালী করা যায়। অন্যদিকে অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে শুধু অর্থ সহায়তা দিয়ে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বরং তাদের আর্থিক সক্ষমতা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহীদ বলেন, এসব ব্যাংককে পুরোপুরি তাদের ওপর ছেড়ে দিলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, এরই মধ্যে তারা সরকারি কোষাগার থেকে যে বিপুল অর্থ নিয়েছে, তা লাভ করে ফেরত দেয়া তাদের পক্ষে খুবই কঠিন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অডিটে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের শেষে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত খেলাপি ঋণ ছিল ৯ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগ তথ্য গোপন রাখা হয়েছিল।
Go to News Site