Collector
এমপিওভুক্তি নিয়ে দুঃসংবাদ | Collector
এমপিওভুক্তি নিয়ে দুঃসংবাদ
Somoy TV

এমপিওভুক্তি নিয়ে দুঃসংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চূড়ান্ত করা ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির তালিকা স্থগিত করেছে সরকার। তালিকাটি এখন নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন করে আরও আবেদন নেয়া হবে। পুরনো ও নতুন আবেদনগুলো একত্রে পুনর্মূল্যায়ন করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ সাপেক্ষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।এ বিষয়ে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগের তালিকাটি বাতিল করা হয়নি, তবে সেগুলোকে নতুন আবেদনের সঙ্গে একত্রে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের তালিকাটি নিয়ে বিতর্ক ওঠায় এবং বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ায় সরকার এই কঠোর অবস্থানে গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় নাম ওঠাতে প্রতিষ্ঠানভেদে ২০ থেকে ৪০ লাখ এবং শিক্ষকপ্রতি ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে লেনদেনের পরিমাণ অর্ধকোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে তথ্য মিলেছে। মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) কর্মকর্তারা বলছেন, ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন যাচাই-বাছাই করতে মাত্র আট কর্মদিবস সময় নেয়া হয়েছিল। দিনে গড়ে ৪৫২টি প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করা প্রায় অসম্ভব। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, এত অল্প সময়ে যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করা নজিরবিহীন। অনেক শিক্ষার্থীশূন্য বা বেহাল দশার প্রতিষ্ঠানও তালিকায় ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও পড়ুন: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে বেসরকারি কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার যে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াও বর্তমানে স্থগিত হয়ে গেছে। পূর্ববর্তী সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলেও বর্তমান সরকার নতুন তালিকার সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী অর্থবছরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে। আরও পড়ুন: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ৪৭১টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বছরে ব্যয় হবে ১৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ১৩৫টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ২২ লাখ টাকা, ১৪৫টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে ১২৭ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজে ১২৫ কোটি টাকা, স্নাতক (পাস) কলেজে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে বাস্তবায়ন হলে প্রথম ধাপে সরকারের ব্যয় হতো প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা। যদিও সংশোধিত বাজেটে ইতোমধ্যে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।

Go to News Site