Collector
এক মাসে শুধু ডিজেলে বিপিসির ‘গচ্চা’ ১০১ কোটি টাকা | Collector
এক মাসে শুধু ডিজেলে বিপিসির ‘গচ্চা’ ১০১ কোটি টাকা
Jagonews24

এক মাসে শুধু ডিজেলে বিপিসির ‘গচ্চা’ ১০১ কোটি টাকা

বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্ট থেকে জ্বালানি কিনে সরবরাহ দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এপ্রিল মাসে বেসরকারি সুপার পেট্রোকেমিক্যাল থেকে শুধু ডিজেল কিনে ১০১ কোটি টাকা গচ্চা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পেট্রোল-অকটেনেও গচ্চা গেছে ৫৯ কোটি টাকা। জাগো নিউজের অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর আগে কেনা কাঁচামালে উৎপাদিত ১২ হাজার টন ডিজেল বিপিসিকে সরবরাহ দেয় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি নামে বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্টটি। শুধু ডিজেল নয়, ফেব্রুয়ারি মাসের কাঁচামালে উৎপাদিত অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহেও বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ গচ্চা গেছে। বেশি দামে কিনলেও বেশি দামে বিক্রির সুযোগ নেই বিপিসির। আমদানির পাশাপাশি দেশীয় বেসরকারি চারটি সিআরইউ (ক্যাথালেটিক রিফর্মিং ইউনিট) রিফাইনারি থেকে জ্বালানি তেল কিনে বিক্রি করে বিপিসি। প্রতিষ্ঠানগুলো বিপিসি থেকে এবং বিপিসির মাধ্যমে কেনা ন্যাফতা, কনডেনসেট, ডিজেল রিচড কনডেনসেট থেকে পরিশোধিত জ্বালানি উৎপাদন করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পণ্য সরবরাহ করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল। ফেব্রুয়ারি মাস শেষে কাঁচামালের মজুত বিপিসিকে দেওয়া সুপার পেট্রোকেমিক্যালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি মাস শেষে (ক্লোজিং) প্রতিষ্ঠানটিতে ৭ কোটি ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ১৫২ লিটার কাঁচামাল মজুত ছিল। এর মধ্যে ৬২ হাজার ৬৬১ লিটার স্থানীয় কনডেনসেট, ৫ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৫০ লিটার আমদানি করা কনডেনসেট, ১ হাজার ৪৯৪ লিটার অকটেন বুস্টার, ৩০ লাখ ৬৩ হাজার ৭৮৮ লিটার এমটিবিই (মিথাইল টারশিয়ারি বিউটাইল ইথার), ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার ৮০৬ লিটার আমদানি করা ন্যাপথা এবং ৬ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৩ লিটার ইআরএল থেকে পাওয়া ন্যাফতা মজুত ছিল। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বিপিসিকে দেওয়া হয়নি ডিজেল সুপার পেট্রোকেমিক্যাল ফেব্রুয়ারি মাসে ১ কোটি ১৯ লাখ ৪ হাজার লিটার অকটেন, ১ কোটি ২ লাখ লিটার পেট্রোল এবং ১৭ লাখ ৫০ হাজার ৮শ লিটার ডিজেল উৎপাদন করে। ওই মাসে বিপিসিকে ১ কোটি ৯৬ হাজার ৪১৬ লিটার অকটেন, ৯১ লাখ ৬২ হাজার ৫২৮ লিটার পেট্রোল সরবরাহ করে তারা। পাশাপাশি ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপাদিত পরিশোধিত ১ কোটি ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ লিটার অকটেন, ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার ৪৮৯ লিটার পেট্রোল এবং ২৭ লাখ ৯৮ হাজার ২৪৩ লিটার ডিজেল মজুত ছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে যে কাঁচামাল কিংবা আমদানি করা কনডেনসেট মজুত ছিল, তা দিয়ে উৎপাদিত ডিজেলের মূল্য ফেব্রুয়ারির দামেই হওয়া উচিত। কারণ ওই কাঁচামালের দর আন্তর্জাতিক বাজারে ফেব্রুয়ারিতে অনেক কম ছিল। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে মার্চ ও এপ্রিলে কাঁচামালের দাম বাড়লেও পরিশোধিত তেলের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিপিসিকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা উচিত।-বিপিসির বাণিজ্য ও অপারেশন্স বিভাগের সাবেক ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফ একইভাবে মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠানটি ১ কোটি ৪০ লাখ ৪৯ হাজার লিটার অকটেন, ৪৩ লাখ ১০ হাজার লিটার পেট্রোল এবং ৩৪ লাখ ৫০ হাজার লিটার ডিজেল উৎপাদন করে। ওই মাসে বিপিসিকে ১ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৭ লিটার অকটেন এবং ৪৮ লাখ ১০ হাজার ৫৬০ লিটার পেট্রোল সরবরাহ করে। ফেব্রুয়ারির মতো মার্চ মাসেও বিপিসিকে কোনো ডিজেল দেয়নি সুপার পেট্রোকেমিক্যাল। মার্চ মাসের শেষে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ক্লোজিং স্টক ছিল ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৩ লিটার অকটেন, ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ৩৪৩ লিটার পেট্রোল এবং ৪০ লাখ ৮৩ হাজার ৯২৯ লিটার পরিশোধিত ডিজেল। ফেব্রুয়ারির মজুত কনডেনসেটে কত ডিজেল উৎপাদন সম্ভব? সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপার পেট্রোকেমিক্যাল মার্চ মাসে ১ কোটি ৯ লাখ ২২ হাজার ২শ লিটার আমদানি করা কনডেনসেট প্রসেস করে ১ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার লিটার চার ধরনের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করে। এর মধ্যে ১০ লাখ লিটার এলপি গ্যাস, ৪১ লাখ ৮০ হাজার লিটার অকটেন, ২২ লাখ লিটার পেট্রোল এবং ৩২ লাখ লিটার পরিশোধিত ডিজেল রয়েছে। আরও পড়ুন ৭ মে উৎপাদনে ফিরবে ইস্টার্ন রিফাইনারিমে মাসে জ্বালানি তেলে থাকছে স্বস্তিঅকটেনে ‘ভাসছে’ বিপিসি, তবু পাম্পে হাহাকার প্রসেসিং করা কনডেনসেটে উৎপাদিত পণ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মার্চ মাসে আমদানি করা কনডেনসেট থেকে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে ২৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ডিজেল। সে অনুপাতে ফেব্রুয়ারি মাসের ক্লোজিং স্টকের ৫ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৫০ লিটার আমদানি করা কনডেনসেট থেকে ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৫২ লিটার বা ১৪ হাজার ৪৮২ টন (প্রতি টনে ১১৮৬ লিটার) ডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব। বিপিসির কার্যালয় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির দুটি কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্টে দৈনিক ১৪ হাজার ব্যারেল হিসাবে মাসে ৫০ হাজার টনের অধিক কনডেনসেট প্রসেস করা যায়, যা থেকে ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ হিসাবে মাসে ১৫ হাজার ৩৮২ টন ডিজেল উৎপাদন করা যায়। এপ্রিল মাসের ডিজেলে বিপিসির গচ্চা ১০১ কোটি টাকা এপ্রিল মাসের প্রথম ২৪ দিনে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল ১১ হাজার ৬শ টন অকটেন, ৮ হাজার ৯শ টন পেট্রোল এবং ১২ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করে। ওই পরিমাণ ডিজেলেই বিপিসির গচ্চা গেছে ১০১ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিপিসির এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এপ্রিল মাসের প্রাইসিংয়ে দাম বাড়বে, সেই কৌশলে পর্যাপ্ত কাঁচামাল থাকার পরও সুপার পেট্রোকেমিক্যাল মার্চ মাসে বিপিসিকে তাদের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করেনি।’ প্রাইসিং নির্ধারণের একটি কমিটি রয়েছে। প্রাইসিংয়ের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন রয়েছে। ২০২২ সালের ওই প্রজ্ঞাপনের ফর্মুলা অনুযায়ী প্রাইসিং নির্ধারণ করা হয়। অনেক সময় আমাদের হাতে সবগুলো তথ্য থাকে না। এর বাইরে তথ্য থাকলে আপনারা লিখতে পারেন।-বিপিসির পরিচালক (অর্থ) ও সরকারের যুগ্মসচিব নাজনীন পারভীন মার্চে বিপিসিকে সাকুল্যে ১৪ হাজার ৩শ টন পণ্য দিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এপ্রিল মাসে মার্চের তুলনায় লিটারে পণ্যপ্রতি ৪২ টাকা থেকে ৭১ টাকা দাম বাড়ানো হয়। দাম বাড়ানোর পর এপ্রিলের প্রথম ২৪ দিনেই সরবরাহ দিয়েছে সাড়ে ৩২ হাজার টন পণ্য।’ যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মে মাসে বিশ্ববাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম কমে যেতে পারে- এমন আশঙ্কায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণে জ্বালানি সরবরাহের সুযোগ নেয় বলে দাবি ওই কর্মকর্তার। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণব কুমার সাহার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে খুদে বার্তা দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। যেভাবে ১০১ কোটি টাকা গচ্চা বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্ট থেকে কেনা পরিশোধিত জ্বালানির দর নির্ধারণ করতে বিপিসির একটি প্রাইসিং কমিটি রয়েছে। কমিটির নির্ধারিত দর অনুযায়ী, এপ্রিলে লিটারপ্রতি ৯৪ টাকা ১৭ পয়সায় অকটেন, ৮৫ টাকা ৪৯ পয়সায় পেট্রোল এবং ১৩৮ টাকা ৩০ পয়সায় ডিজেল কিনেছে বিপিসি, যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল লিটারপ্রতি ৫২ টাকা ৪ পয়সা অকটেন, ৪৫ টাকা ৮৩ পয়সা পেট্রোল ও ৬৬ টাকা ৮৩ পয়সা ডিজেল। একইভাবে মার্চ মাসে লিটারপ্রতি ৫৫ টাকা ৩৪ পয়সায় অকটেন, ৪৮ টাকা ৯৪ পয়সায় পেট্রোল ও ৭৩ টাকায় ডিজেল কেনা হয়। এতে ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে এপ্রিল মাসে প্রতি লিটার ডিজেলে বেশি গুনতে হয়েছে ৭১ টাকা ৪৭ পয়সা। ফলে ১২ হাজার টন ডিজেলে বিপিসিকে গুনতে হয়েছে ১০১ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার টাকা বেশি। পেট্রোল-অকটেনেও গচ্চা ৫৯ কোটি টাকা সুপার পেট্রোকেমিক্যাল মার্চ মাসে ১ কোটি ৯ লাখ ২২ হাজার ২শ লিটার আমদানি করা কনডেনসেট প্রসেস করে এলপিজি ও ডিজেলের পাশাপাশি ৪১ লাখ ৮০ হাজার লিটার অকটেন এবং ২২ লাখ লিটার পেট্রোল উৎপাদন করে। প্রসেসিং করা কনডেনসেটে উৎপাদিত পণ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মার্চ মাসে আমদানি করা কনডেনসেট থেকে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে ৩৮ দশমিক ২৭ শতাংশ অকটেন এবং ২০ দশমিক ১৪ শতাংশ পেট্রোল। ফাইল ছবি সে অনুপাতে ফেব্রুয়ারি মাসের ক্লোজিং স্টকের ৫ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৫০ লিটার আমদানি করা কনডেনসেট থেকে ২ কোটি ২৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪০ লিটার অকটেন ও ১ কোটি ১৮ লাখ ৮ হাজার ৮১০ লিটার পেট্রোল উৎপাদন করা সম্ভব। এর মধ্যে মার্চ মাসে বিপিসিকে ১ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৭ লিটার অকটেন ও ৪৮ লাখ ১০ হাজার ৫৬০ লিটার পেট্রোল সরবরাহ করে। ফেব্রুয়ারি মাসের কাঁচামালে উৎপাদিত অবশিষ্ট ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৪৩ লিটার অকটেন ও ৬৯ লাখ ৯৮ হাজার ২৫০ লিটার পেট্রোল এপ্রিল মাসে সরবরাহ করা হয়। এতে ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে প্রতি লিটার ৪২ টাকা ১৩ পয়সা বেশিতে কিনে অকটেনে ৩১ কোটি ১৯ লাখ ১১ হাজার ৫৪৬ টাকা এবং লিটারপ্রতি ৩৯ টাকা ৬৬ পয়সা বেশিতে কিনে পেট্রোলে ২৭ কোটি ৭৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৭৭ টাকা গচ্চা দিতে হয়েছে বিপিসিকে। বিশ্লেষক ও সমালোচকরা যা বলছেন বিপিসিতে বাণিজ্য ও অপারেশন্স বিভাগে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফ। তিনি বর্তমানে অবসরে রয়েছেন। মার্চের চেয়ে এপ্রিলে বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্ট থেকে লিটারপ্রতি ৭১ টাকা বেশি দামে ডিজেল কেনার বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে যে কাঁচামাল কিংবা আমদানি করা কনডেনসেট মজুত ছিল, তা দিয়ে উৎপাদিত ডিজেলের মূল্য ফেব্রুয়ারির দামেই হওয়া উচিত। কারণ ওই কাঁচামালের দর আন্তর্জাতিক বাজারে ফেব্রুয়ারিতে অনেক কম ছিল। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে মার্চ ও এপ্রিলে কাঁচামালের দাম বাড়লেও পরিশোধিত তেলের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিপিসিকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা উচিত।’ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবীর চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত জ্বালানি তেল সেক্টর। এ সেক্টরে জঘণ্য তেলেসমাতি রয়েছে। পুরো সেক্টরটি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।’ এখন এক মাসের ব্যবধানে লিটারপ্রতি ৭১ টাকা বেশি দিয়ে জ্বালানি তেল কেনার বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মত দেন তিনি। যা বলছে বিপিসি বেসরকারি রিফাইনারি থেকে জ্বালানি তেল কেনার ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারণ করার জন্য বিপিসির সাত সদস্যের কমিটি রয়েছে। নথি উপস্থাপন, প্রজ্ঞাপন জারি ও দর নির্ধারণসহ দাপ্তরিক কাজগুলো করেন প্রাইসিং কমিটির সদস্য সচিব বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক মোছা. সিরাজাম মুনীরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদস্য সচিব মোছা. সিরাজাম মুনীরাকে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা দিলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এপ্রিল মাসে শুধু ডিজেল কেনায় শতকোটি টাকার বেশি খরচ করার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাইসিং কমিটির সদস্য বিপিসির পরিচালক (অর্থ) ও সরকারের যুগ্মসচিব নাজনীন পারভীন জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাইসিং নির্ধারণের একটি কমিটি রয়েছে। প্রাইসিংয়ের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন রয়েছে। ২০২২ সালের ওই প্রজ্ঞাপনের ফর্মুলা অনুযায়ী প্রাইসিং নির্ধারণ করা হয়। অনেক সময় আমাদের হাতে সবগুলো তথ্য থাকে না। এর বাইরে তথ্য থাকলে আপনারা লিখতে পারেন।’ এমডিআইএইচ/এএসএ/ এমএফএ

Go to News Site