Somoy TV
ক্লাব ফুটবলের ট্রান্সফার বাজার এখন শুধু খেলোয়াড় বদলের জায়গা নয়, এটি নিজেই এক বিশাল অর্থনৈতিক শিল্পে পরিণত হয়েছে। বড় অঙ্কের ট্রান্সফার যেমন আলোড়ন তোলে, তেমনি এর প্রভাবও দীর্ঘমেয়াদি। সব ট্রান্সফার সফল না হলেও, অর্থের অঙ্কে তৈরি হয় নতুন নতুন রেকর্ড।এখন পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ট্রান্সফারটি নিজের দখলেই রেখেছেন নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে তার ২২২ মিলিয়ন ইউরোর দলবদল ফুটবল বিশ্বে নতুন মানদণ্ড তৈরি করে। এই অঙ্কের কাছাকাছিও যেতে পারেননি আর কোনো ফুটবলার। সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের ট্রান্সফার ফি ছিল ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। তবে শুধু একক ট্রান্সফার নয়, একজন খেলোয়াড়কে ঘিরে মোট কত অর্থ লেনদেন হয়েছে’ সেই হিসাবেও নেইমার সবার ওপরে। এসআইডটকমের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্যারিয়ারে তিনবার ট্রান্সফার হয়ে মোট ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। আরও পড়ুন: ক্যারিয়ারের শেষটা এগিয়ে আসছে, প্রতিটি ম্যাচ উপভোগ করা উচিত: রোনালদো এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন রোমেলু লুকাকু। একাধিক ক্লাবে যাতায়াতের কারণে তার নামের পাশে জমা হয়েছে ৩৬৯.৯ মিলিয়ন ইউরো, যদিও তিনি ট্রান্সফার হয়েছেন নয়বার। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পাঁচবার ক্লাব বদলে তার ক্ষেত্রে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৭ মিলিয়ন ইউরো। চতুর্থ স্থানে আছেন আলেক্সান্দার ইসাক, যার চারটি ট্রান্সফারে মোট অর্থের পরিমাণ ২৪৬.১ মিলিয়ন ইউরো। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছেন উসমান দেম্বেলে। তিনবার ট্রান্সফারে তার মোট লেনদেন ২৩৩ মিলিয়ন ইউরো। এই পাঁচ ফুটবলারের ট্রান্সফার মিলিয়ে মোট প্রায় ১.৪৯৬ বিলিয়ন ইউরোর বিশাল অঙ্কের লেনদেন হয়েছে, যা আধুনিক ফুটবলের অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আরও পড়ুন: সান্তোসের কোচ চান নেইমার বিশ্বকাপ খেলুক তবে... অন্যদিকে, একক ক্লাব-টু-ক্লাব সবচেয়ে ব্যয়বহুল ট্রান্সফারের তালিকায় নেইমার ও এমবাপ্পের পর রয়েছেন ইসাক, জোয়াও ফেলিক্স ও এনজো ফার্নান্দেজ।
Go to News Site