Somoy TV
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্ট্রান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, গৌতম বুদ্ধের মানবতা, সাম্য ও অহিংসার বাণী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার− মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’বঙ্গভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্ট্রান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন।’ আরও পড়ুন: শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই শ্রমকল্যাণে কাজ করছে সরকার: রাষ্ট্রপতি জাতির যা কিছু সাফল্য এবং অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উল্লেখ করে বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সবাইকে ধৈর্য্য, সংযম এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মের অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
Go to News Site