Collector
একটি দল সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল: আখতার হোসেন | Collector
একটি দল সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল: আখতার হোসেন
Somoy TV

একটি দল সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল: আখতার হোসেন

ক্ষমতায় যেতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে বিভিন্ন সময় ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।শনিবার (২ মে) জাতীয় জনজাতি জোটের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন বলেন, দলিত হরিজনদের সমস্যা রাষ্ট্রীয়ভাবে ও সামাজিকভাবে সমাধান করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে একটা রাজনৈতিক দল ছিল, যারা সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। তবে বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক কোনোকিছুতে সমর্থন করে না বরং বিরোধিতা করে। জাতীয় জনজাতি পার্টি তফশিলভুক্ত দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক, মানবিক অধিকার নিশ্চিতে লড়াই চালিয়ে যাবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ৬৫ লাখ হলেও বিভিন্ন হিসাবে হরিজন সদস্যদের সংখ্যা কোটির বেশি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ সামনের দিকে অগ্রসর হবে। এটাকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই, মানবিকভাবে দেখুন। আরও পড়ুন: আসিফ মাহমুদকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নীলার হরিজন সদস্যদের সম্মান নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে এনসিপির সদস্য সচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের মানচিত্র পাওয়ার পেছনে দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের অবদান আছে। আর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কথা ছিল সাম্য ও মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার। কিন্তু দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষগুলো বঞ্চিত হচ্ছে। বর্ণপ্রথার অন্ধকার দূর করার আহ্বান জানিয়ে আখতার বলেন, ভারতের মতো বাংলাদেশে বর্ণপ্রথার প্রভাব ভয়াবহ না। তবু আমরা বর্ণপ্রথার কুপ্রভাব থেকে মুক্তি চাই। পুরো পাক-ভারতীয় উপমহাদেশ বর্ণপ্রথার কুপ্রভাব থেকে যেন মুক্ত হয়, সে আশাবাদ জানান তিনি। আরও পড়ুন: কোনোভাবেই লুটেরাদের ব্যাংক ফেরত দেয়া যাবে না: আখতার হোসেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, তফসিলভুক্ত দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষকেই তাদের নেতৃত্বের জায়গায় আনা হবে। তারাই তাদের সমস্যার কথা বলবেন। তাদের জন্য কোনো বিশেষায়িত স্কুল নাই। শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে চাকরিতে বৈষম্যের শিকার হয় তারা। এছাড়া কাজের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রীয়ভাবে কাঠামোগত বৈষম্য রয়ে গেছে।

Go to News Site