Collector
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশে ১৬ মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি | Collector
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশে ১৬ মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
Jagonews24

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশে ১৬ মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে ইরান ও তার মিত্ররা আটটি দেশের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। এতে অনেক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের এসব ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করা দলের এক সহকারী জানান-মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বড় অংশজুড়ে থাকা স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পুরো স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বন্ধ করে দিতে হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এগুলো মেরামতযোগ্য বলেও মত দেওয়া হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তেহরানের প্রধান লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা (অত্যন্ত ব্যয়বহুল) বিমান। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সরঞ্জাম সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য নয় বলে জানানো হয়েছে। একই সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান খুব সচেতনভাবেই এমন লক্ষ্যবস্তু বেছে নিয়েছে যেগুলোতে আঘাত করলে কম খরচে বেশি ক্ষতি করা যায়। আমাদের রাডার ব্যবস্থা এই অঞ্চলে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও সীমিত সম্পদগুলোর একটি। এদিকে, পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট আইনপ্রণেতাদের জানান, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। তবে সিএনএন-এর তথ্য মতে, এই ক্ষতির পরিমান ৪০-৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পেন্টাগনের মূল্যায়ন অনুযায়ী, শুধু ইউএস নেভি ফিফথ ফ্লিট-এর সদরদপ্তর মেরামতেই প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-কে জানিয়েছেন এক কংগ্রেস কর্মকর্তা। অন্যদিকে, আমেরিকান এন্টারপ্রাইস ইনস্টিটিউট-এর এক বাহ্যিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানি বাহিনী কুয়েতের আলি আল-সালেম এয়ার বেজে, কাতারের আল-উদিদ এয়ার বেজ-এর একটি রানওয়ে এবং উত্তর ইরাকের একটি সামরিক ঘাঁটির অস্ত্রভান্ডারেও হামলা চালিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চলা অবস্থায় বিপুল পরিমান অর্থের সামরিক সরাঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল,আরব আমিরাত, কাতার এবং কুয়েত। কেএম

Go to News Site