Somoy TV
সবাই সব দিন ভালো খেলবে না। কথাটা তাওহীদ হৃদয় প্রথম টি-টোয়েন্টি শেষে বলেছিলেন। সেদিন যেমন বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় হাল ধরেছিল মিডল অর্ডার। টপ অর্ডার, মিডল অর্ডার; তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ কেউই হাল ধরতে পারেনি।ওপরের সারির ব্যর্থতায় আজ লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের ভালো কিছু করার সুযোগ এসেছিল। তারাও প্রথম দুই সারিকেই অনুসরণ করেছেন, কেউই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। যার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১০২ রানে। ১৫ ওভারের খেলায় এই রান যে জেতার মতো নয়, তা স্বীকার করেছেন দলপতি লিটন দাস।সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আজ লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা রান করতে না পারায় হতাশা ঝরেছে লিটনের কণ্ঠে। প্রথম সংবাদ সম্মেলনেও ব্যাটিং লাইনআপের নিচের দিকের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে রান চেয়েছিলেন তিনি। আজ বাংলাদেশ দলের সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেন, ‘লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের দায়িত্ব আছে, আমরা চাই তারা কিছু ইনপুট দিক। আজ জায়গা ছিল, ব্যর্থ হয়েছে।’আরও পড়ুন: শরিফুল চাপ তৈরি করলেও হেসেখেলে জিতল নিউজিল্যান্ড১০৩ রানের লক্ষ্য দিয়েও বাংলাদেশ একটা সময় ভালো অবস্থান তৈরি করেছিল। সেটা শরিফুল ইসলামের কল্যাণে। এই পেসার নিজের প্রথম ওভারেই ২ উইকেট তুলে নেন, পরের ওভারে নেন আরেকটি, নিউজিল্যান্ডের দলীয় ৩৩ রানে চতুর্থ উইকেটটি নেন শেখ মেহেদী। এরপর অবশ্য আর কোনো উইকেটই পায়নি, কিউইরা জিতে ৬ উইকেটে।শরিফুলের কৃতিত্ব দিয়ে লিটন বলেন, ‘টোটাল খুব বড় ছিল না। উইকেটও ভালো ছিল...। শরিফুল খুব ভালো বল করতেছিল, আরও দুইটা উইকেট বের করে নিতে পারলে তারা (নিউজিল্যান্ড) প্রেসারে পড়লেও পড়তে পারত।’বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে ভালো জুটিটাই গড়েছিলেন লিটন ও হৃদয়। বৃষ্টির আগে হওয়া সেই জুটিও কেবল ২৮ রানের। ফের খেলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই উইকেটের মিছিল। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকেই থাকতে পারেনি। লিটন মনে করেন, তার ও হৃদয়ের জুটিটা আরেকটু বড় হলে খেলায় ভিন্ন কিছু হত। ‘আমার আর হৃদয়ের জুটিটা যদি আরেকটু বড়, তাহলে খেলা ভিন্ন কিছু হত।’
Go to News Site