Collector
‘বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা’, ‘ডিও লেটার আর প্রশ্নফাঁস ভীতিতে আটকা নিয়োগ’ | Collector
‘বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা’, ‘ডিও লেটার আর প্রশ্নফাঁস ভীতিতে আটকা নিয়োগ’
Somoy TV

‘বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা’, ‘ডিও লেটার আর প্রশ্নফাঁস ভীতিতে আটকা নিয়োগ’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় রোববার (৩ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। আবার খুন-জখম-গুলি, বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। অপরাধজগৎ ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে তখনকার অপরাধজগতের অন্যতম আলোচিত সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবীর ওরফে মুরগি মিলনকে। এরপর দীর্ঘ সময় পাল্টাপাল্টি খুন আর গোলাগুলিতে সরগরম ছিল রাজধানীর অপরাধজগৎ।  ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটল গত ২৮ এপ্রিল। শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনকে সড়কে প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও আলোচনায় এল ঢাকার অপরাধজগৎ এবং পেশাদার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য। গত ২১ মাসে রাজধানীতে এমন ২৩টি আলোচিত ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর কোনোটিতে সরাসরি আবার কোনোটির নেপথ্যে ছিল পেশাদার সন্ত্রাসীরা। ধরা পড়ছে না আদালত থেকে পালানো আসামিরা - দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই কলেজছাত্র হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাদশা মিয়া ২০২২ সালে ঢাকার আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যায়। সেই ঘটনার পর কেটে গেছে চার বছর। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো হদিস মেলেনি। শুধু বাদশা মিয়া নয়, গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আদালত থেকে বেশ কয়েকজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পালিয়ে যায়। তাদের দু’-একজন ধরা পড়লেও বাকিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পলাতক অবস্থান থেকে ভিকটিমের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন আসামিরা।  আদালত সূত্র জানায়, আসামিদের আদালতে হাজিরার সময়ই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রিজন ভ্যান থেকে নামানো, আদালত কক্ষে নেয়া কিংবা হাজতখানায় প্রবেশের সময় পালিয়ে যায় আসামিরা। অনেক ক্ষেত্রে আদালত প্রাঙ্গণের ভিড় ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়। এ বিষয়ে সাবেক বিচারক ড. আবুল হোসেন খন্দকার মানবজমিনকে বলেন, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ আসামিদের ক্ষেত্রে যে ধরনের কঠোর নিরাপত্তা থাকার কথা, বাস্তবে তার ঘাটতি স্পষ্ট। সংসার চালাতে সঞ্চয়ে টান - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয় না বাড়লেও খরচ বাড়ছে লাগামহীনভাবে। বিলাসিতা তো অনেক দূরের কথা, মিতব্যয়িতার চরম পাঠ নিতে হচ্ছে দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে। চাল-ডাল-তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে স্কুল-কলেজের ফি, চিকিৎসা, যাতায়াত খরচসহ জীবনযাত্রার সামগ্রিক ব্যয়। একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অন্যদিকে আয়ের সংকটে পড়েছেন নির্ধারিত আয়ের এসব মানুষ।   নিম্ন আয়ের মানুষ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায় থেকে নানা ধরনের সহায়তা পেলেও মধ্যবিত্তের ভাগ্যে তা জুটছে না। আবার লোকলজ্জার ভয়ে কোথাও গিয়ে হাত পাতাও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। মধ্যবিত্তরা বলছেন, তারা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন, কর দেন, সঞ্চয় করেন, বাজারে চাহিদা তৈরি করেন।ঘনবসতির ঢাকায় কবরস্থানের সংকট, বেশির ভাগের সাধ্যের বাইরে কবর সংরক্ষণ ফি - দৈনিক বণিকবার্তার প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবর এটি।  প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা দিনমজুর আরমান হোসেন। সম্প্রতি বাবা হারিয়েছেন তিনি। নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানো আরমানের গ্রামে ফেরারও উপায় নেই। তাই বাবাকে দাফন করেন জুরাইন কবরস্থানে। দাফন করতে সরকারি খরচ গুনতে হয় প্রায় ২ হাজার টাকা। এছাড়া দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে আরো ৩ হাজার টাকা খরচ হয় তার। আরমানের কথায়, গ্রামে মানুষ মারা গেলে কবর দেয়ার জন্য কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু ঢাকায় কবর দিতেও হাজার হাজার টাকা খরচ হয়।  ঢাকায় কবর সংরক্ষণের জন্য বেশ মোটা অংকের ফি গুনতে হয়। জানা যায়, ঢাকায় সাধারণ কবর দেয়ার জন্য ২ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও সেটা সংরক্ষণের খরচ অনেক বেশি। ঢাকায় কবর সংরক্ষণের সর্বোচ্চ মেয়াদ ২৫ বছর এবং সেজন্য খরচ দেড় কোটি টাকা। সে হিসাবে মাসিক খরচ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ৫, ৮, ১০ ও ১৫ বছর বা বিভিন্ন মেয়াদে কবর সংরক্ষণের জন্য উচ্চ হারে ফি গুনতে হয়।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কম - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগ এলাকায় সকাল গড়াতেই শুরু হয় নগর জীবনের ব্যস্ততা। গৃহকর্মীদের আনাগোনা, রিকশার বেলের শব্দ, গলি পথে শিশুদের দৌড়ঝাঁপ-সব মিলিয়ে চেনা ছবি। তবে এই দৃশ্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক নীরব উদ্বেগ- হাম রোগ ও এর টিকা নিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের অজ্ঞতা ও তথ্য বঞ্চনা।  তিন বছর ধরে মধুবাগের এক বাসায় কাজ করেন ফয়জুলা বেগম। গত সপ্তাহে তাঁর দুই বছর বয়সী সন্তানের জ্বর হয়। প্রথমে তিনি এটিকে সাধারণ জ্বর ভেবেই এড়িয়ে যান। কয়েক দিন পরও জ্বর না কমলে যে বাসায় কাজ করেন, সেখানকার গৃহকর্ত্রীর কাছ থেকে হামের কথা শুনে চিকিৎসকের কাছে যান। সেখানেই প্রথম জানতে পারেন, এটি হামের লক্ষণ। তিনি বলেন, ‘আমরা বাসায় কাজ করি। এসব রোগ-টিকার কথা কেউ বলে না।’ ডিও লেটার আর প্রশ্নফাঁস ভীতিতে আটকা নিয়োগ - দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনে অনুমোদিত ১৯ লাখ ১৫১টি পদের বিপরীতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদই শূন্য পড়ে আছে। শূন্য পদের এ সংখ্যা মোট জনবলের প্রায় ২৫ শতাংশ। এসব পদ পূরণে সেই অর্থে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দৃশ্যমান নয়। শীর্ষ কর্মকর্তাদের কারও ভাষ্য-মামলার কারণে শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না। কেউ বলছেন, ৩০-৩৫ বছর আগের নিয়োগবিধির আলোকে নিয়োগ দেয়া যুক্তিসংগত নয়। এছাড়া প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপিদের তদবিরের ঝক্কির পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঝুঁকি তো আছেই। এসব নানাবিধ কারণে প্রশাসনের পদস্থদের মধ্যে একটা অনাগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।  জনপ্রশাসনের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, মামলার কারণে অনেক নিয়োগ আটকে আছে। এছাড়া নিয়োগে কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়। তবে নিয়োগে তদবির ছিল, আছে এবং থাকবে। এটাই বাস্তবতা। এসবের মধ্যেই চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি সমপ্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করে নিয়োগ দিতে পারাই আমাদের কাজ। সে কাজটি আমরা করেছি, করছি এবং করব। কথা হয় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের সঙ্গে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, যেসব পদে ঝামেলা নেই, সেখানে আমি নিয়োগ দিয়েছি। এখনো দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে আইনগত ঝামেলা হলে এড়িয়ে চলি।

Go to News Site