Collector
পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি-এজিপি নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনাধীন: আইনমন্ত্রী | Collector
পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি-এজিপি নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনাধীন: আইনমন্ত্রী
Jagonews24

পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি-এজিপি নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনাধীন: আইনমন্ত্রী

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি (জেলা আদালতে প্রধান সরকারি আইনজীবী), এজিপি (জিপির সহকারী আইনজীবী) নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের প্রথম দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। আইন ও বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়। ডিসিরা জেলা পর্যায়ে জিপি, এজিপি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তাব করেছেন। সাধারণত সেখানে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ হয়- এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের বিবেচনাধীন আছে। পার্মানেন্ট প্রসিকিউশন সার্ভিস যেটাকে বলা হচ্ছে, সেটা আমাদের বিবেচনায় আছে। উই আর ওয়ার্কিং অন ইট।’ আর কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বা কী নির্দেশনা দিয়েছেন? এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ফিল্ড লেভেলে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন যেসব ডিপার্টমেন্ট আছে, সেই ডিপার্টমেন্টগুলোতে কোনো সুনির্দিষ্ট অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে আমাদের জানাতে বলেছি। আমরা সেটাকে সুনির্দিষ্টভাবে অ্যাড্রেস করবো এবং সেখানে তাদের ভিজিল্যান্ট (সতর্ক) থাকতে বলেছি, যেন আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি কি না সেটাও দেখা একটা।’ ‘দ্বিতীয়ত হলো, সরকারের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক ফাইল আসতে দেরি হয়। এইটা যেন না হয় সেদিকে একটু দৃষ্টি রাখা। আর তৃতীয়ত হলো, যদি ওনারা কোনো কিছু সাজেস্ট করেন, সেটাও আমাদের জানানোর জন্য যেন এটা আমরা ভবিষ্যতে অ্যাড্রেস করতে পারি।’ অভিযোগ জানানোর জন্য আলাদা কোনো হেল্পলাইন করছেন কি না? এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘না, হেল্পলাইন আলাদা প্রয়োজন নেই। কারণ এটা গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট, গভর্নমেন্টের একটা ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আরেক ডিপার্টমেন্টের যে সমন্বয়, সেই সমন্বয়, তো এখানে হেল্পলাইনের প্রয়োজন হবে না।’ মামলা জট কমানো নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বলেছি আমরা। মামলা জট কমানোর জন্য কোনো সাজেশন থাকলে সেটা আমরা দিতে বলেছি।’ কার্য-অধিবেশনে আলোচিত উল্লেখযোগ্য বিষয় পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কার্য-অধিবেশনে আলোচিত আইন ও বিচার বিভাগ সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। • ভূমি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ই-রেজিস্ট্রেশন চালু এবং মহাফেজখানা অটোমেশনকরণের বিষয়ে আলোচনা। • দেওয়ানি আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে আপিল মামলা দাখিলে তামাদি মওকুফকরণের বিষয়ে আলোচনা। • সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন সুনির্দিষ্ট কর্মকর্তা নিযুক্ত করার মাধ্যমে সলিসিটর উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে আলোচনা। • জলমহাল/বালুমহাল সম্পর্কে একটি সমন্বিত আইন করার বিষয়ে আলোচনা। • আদালতের প্রয়োজনে সরকারি ফি মওকুফ বা বিনা ফি-তে নিবন্ধন কার্যালয়ের কোনো বই তল্লাশি বা দলিলের প্রতিলিপি প্রদানের বিষয়ে আলোচনা। আরএমএম/ইএ

Go to News Site