Collector
সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ অভিযান | Collector
সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ অভিযান
Somoy TV

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ অভিযান

সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে যৌথ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।রোববার (৩ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়। ওই দিন বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কোস্টগার্ড জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সব বনদস্যুর বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়। এছাড়া সুন্দরবনের সাথে সম্পৃক্ত ও এর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের মাঝে বনদস্যু সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালে কোস্টগার্ডের নজরদারি আগের তুলনায় বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। কোস্টগার্ডের দাবি, যৌথ অভিযানের ফলে বর্তমানে বনের এসব এলাকায় দস্যুতা হ্রাস পেয়েছে। আরও পড়ুন: বনদস্যু আতঙ্ক: অর্ধেকে নেমে এসেছে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহকারী কোস্টগার্ড আরও জানায়, নিয়মিত অভিযানে গত এক বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই বড় জাহাঙ্গীর ও আসাবুর বাহিনীসহ বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর মোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৮৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, দুটি হাতবোমাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদস্যরা এ পর্যন্ত ৩৭ জন জেলে, দুজন পর্যটক এবং একজন রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

Go to News Site