Somoy TV
গাজীপুরে জঙ্গলে ফেলে রাখা মৃত ছাগলের মাংস বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটকদের মধ্যে দুজনকে এক মাস করে কারাদণ্ড এবং অপরজনের বয়স কম হওয়ায় তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।রোববার (৩ মে) দুপুরে সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন খান এলিস। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার রুদ্রপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার মোবারক ইসলামের ছেলে রাজিব হায়দার (২৩) এবং একই গ্রামের হাবিবের ছেলে শাওন (১৮)। সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া কিশোরের নাম আল আমিন। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, রুদ্রপুর এলাকার সিরাজুল ইসলামের একটি ছাগল ঘাস খেতে গিয়ে কুকুরের কামড়ে মারা যায়। তিনি মৃত ছাগলটিকে মাটিতে পুঁতে না রেখে জঙ্গলে ফেলে আসেন। পরে জঙ্গলে ঘোরাঘুরির সময় রাজিব, শাওন ও আল আমিন ছাগলটি দেখতে পান। তারা ছাগলটির চামড়া ছিলে মাংস ভাগ করে এলাকায় বিক্রি করতে যান। এ সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তারা মৃত ছাগলের মাংস বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন। এ অবস্থায় এলাকাবাসী তিনজনকে আটকে রেখে জয়দেবপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়িতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, স্ত্রী ও শ্যালক গ্রেফতার জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওহাব জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করি। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়।’ গাজীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঈন খান এলিস বলেন, ‘মৃত ছাগলের মাংস বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রাজিব ও শাওনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে আল আমিনের বয়স কম হওয়ায় তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়াসহ জয়দেবপুর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
Go to News Site