Collector
জমি নিয়ে বিরোধে চাচার ঘরের দরজা খুলে নিয়ে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা | Collector
জমি নিয়ে বিরোধে চাচার ঘরের দরজা খুলে নিয়ে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
Jagonews24

জমি নিয়ে বিরোধে চাচার ঘরের দরজা খুলে নিয়ে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

পটুয়াখালী শহরের একটি বসতঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ফারুক হাওলাদার শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পিটিআই এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে জমি নিয়ে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে এবং এ বিষয়ে আদালতে মামলাও বিচারাধীন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ মে ফারুক হাওলাদার বাসায় না থাকাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন ঝালাই কাটার মিস্ত্রি এনে তার ঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিয়ে যায়। এসময় ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের বেঁধে রাখা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। তার ঘরে জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা এসময় তারা নিয়ে যায়। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লিটন কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মিস্ত্রিকে নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে কিছু সময় পর বের হয়ে যান। পরে তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে দরজা কেটে খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ফারুক হাওলাদার বলেন, আমি বাসায় না থাকার সুযোগে তারা দরজা কেটে নিয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে থাকা আমার মেয়েদের বেঁধে রাখা হয়েছিল। এসময় ঘরে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নিয়েও গেছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জহিরুল ইসলাম লিটন বলেন, আমার চাচার সঙ্গে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখতে গিয়েছিলাম। দরজা কেটে নেওয়ার ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন বলেন, বিষয়টি তিনি পুরোপুরি জানেন না। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধ বলে জেনেছেন। এভাবে দরজা খুলে নেওয়া ঠিক হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ দোষী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাহমুদ হাসান রায়হান/এফএ/জেআইএম

Go to News Site