Collector
ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, কেনিয়ায় নিহত ১৮ | Collector
ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, কেনিয়ায় নিহত ১৮
Jagonews24

ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, কেনিয়ায় নিহত ১৮

কেনিয়ার বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্টিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রোববার (৩ মে) কেনিয়া পুলিশ জানায়, থারাকা নিথি, এলগেয়ো-মারাকওয়েট এবং কিয়াম্বু কাউন্টিতে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাদা ও ভূমিধসে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভূমিধসপ্রবণ বা প্লাবিত এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন>>জলবায়ু সংকটে বিশ্ব/ ২০২৬ সালে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ বন্যাদেশের ৪ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস, এক জেলায় পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, রাজধানী নাইরোবির সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। পথচারী ও যানবাহনগুলো কোমর সমান পানির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছে। এদিকে, বৃষ্টির কারণে রাস্তার বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাইরোবির মাকঙ্গেনি ও রুয়াই এলাকার ব্যবসায়ীরা। রোববার তারা রাস্তা সংস্কার ও ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর আগে গত শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছিল, অতিবৃষ্টির ফলে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে এবং ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কেনিয়ায় এটি দ্বিতীয় দফা প্রাণঘাতী বন্যা। গত মার্চ মাসে নাইরোবিতে বন্যায় অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। কেনিয়ায় সাধারণত মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল থাকে এবং মে মাসের প্রথমার্ধে বৃষ্টির তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কেনিয়াসহ পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে আবহাওয়ার এই চরম রূপ দেখা দিচ্ছে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিভাগের প্রধান ফ্রুজসিনা স্ট্রাউস গত সপ্তাহে বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টি ও খরার মতো পানি-সংকটজনিত চরম পরিস্থিতি আফ্রিকার শহরগুলোতে ক্রমেই বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। তার মতে, এ পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, না হলে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে। সূত্র: আল-জাজিরাকেএএ/

Go to News Site