Collector
পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন, কম খরচে বেশি লাভে কৃষকের মুখে হাসি | Collector
পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন, কম খরচে বেশি লাভে কৃষকের মুখে হাসি
Somoy TV

পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন, কম খরচে বেশি লাভে কৃষকের মুখে হাসি

উন্নতমানের বীজ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি বছর পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের আশা, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।দেশে সবচেয়ে বেশি মুগডাল উৎপাদন হয় পটুয়াখালী জেলায়। এই অঞ্চলের মাটি ডাল চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এবার অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ ফলন হয়েছে। সবুজের মাঝে এখন যেন কালো সোনার হাতছানি। দিগন্তজুড়ে শুধু পাকা মুগডালের ক্ষেত। অনুকূল আবহাওয়া ও পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় একর প্রতি ২৭০০ থেকে ২৮০০ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কৃষকেরা এখন ক্ষেত থেকে মুগডাল তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষকেরা সকাল-বিকেল দলবেঁধে ডাল সংগ্রহ করে বোতল বা বস্তায় ভরে বাড়ির উঠানে শুকিয়ে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করছেন। গত বছর যেখানে প্রতি মণ মুগডাল ৩৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এবার তা বেড়ে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আরও পড়ুন: বিএফএসএর সতর্কবার্তা / মুগ ডালে অননুমোদিত রঙ ব্যবহার, গ্রহণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি কম খরচে বেশি ফলন হওয়ায় দিন দিন এই ফসলের দিকে আগ্রহ বাড়ছে উপকূলীয় কৃষকদের। আর এবার ভালো দাম পেয়ে খুশি উপকূলীয় এলাকার কৃষকেরা। কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, মুগডাল চাষে তেমন খরচ লাগে না। ধান কাটার পর একটি চাষ দিলেই হয়। আরেক কৃষক আবু জাফর বলেন, চলতি বছর ডাল ভালো হয়েছে। নিজের বছরের খোরাক রেখে ভালো দামে বিক্রি করতে পারব। শুধু দেশের চাহিদাই নয়, পটুয়াখালীর মুগডাল এখন রফতানিও হচ্ছে জাপান, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, চলতি বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আমানুল ইসলাম বলেন, মুগডাল চাষে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। চলতি বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখানকার মুগডাল বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়। চলতি বছর পটুয়াখালী জেলায় ৮৬ হাজারের বেশি হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষ হয়েছে। মোট উৎপাদন হবে প্রায় ৮৭ মেট্রিক টন।

Go to News Site