Somoy TV
হরমুজ প্রণালী দিয়ে নৌচলাচল ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের পরিকল্পনা বা সম্পৃক্ততা, যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে। সোমবার (৪ মে) ভোরে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন আইনপ্রণেতা এমন সতর্কবার্তা দেন।ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীর নতুন সামুদ্রিক ব্যবস্থায় আমেরিকার যেকোনো হস্তক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।’মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সংস্থা এক্স-এর প্ল্যাটফর্মে করা এক পোস্টে তিনি এই ধারণাটি নাকচ করে দেন যে, ওয়াশিংটন এই জলপথটি পরিচালনা করতে পারে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে পরিচালিত হবে না। আরও পড়ুন:পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে নতুন প্রস্তাব দিলো ইরান তিনি আরও যোগ করেন, ‘দোষারোপের খেলার মতো পরিস্থিতি কেউ বিশ্বাস করবে না!’ রোববার (৪ মে) ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে সংরক্ষিত জলপথ থেকে বের করে আনার জন্য পথ দেখাবে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর এই মন্তব্য করলেন আজিজি। নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে ট্রাম্প এই পদক্ষেপটিকে একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার লক্ষ্য হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধে জড়িত নয় এমন নিরপেক্ষ দেশগুলোকে সহায়তা করা। তিনি লিখেছেন, ‘ইরান, মধ্যপ্রাচ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মঙ্গলের জন্য আমরা এই দেশগুলোকে জানিয়েছি যে, আমরা তাদের জাহাজগুলোকে এই সংরক্ষিত জলপথ থেকে নিরাপদে বের করে আনব।’ ট্রাম্প এই উদ্যোগটির নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ এবং বলেছেন, আটকে পড়া অনেক জাহাজে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ঘাটতি দেখা দিচ্ছিল। আরও পড়ুন:উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে মার্কিন উপস্থিতি ছাড়া: মোজতবা খামেনিএদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য তাদের বাহিনী ৪ মে থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ সহায়তা করা শুরু করবে। সূত্র: আনাদোলু
Go to News Site