Collector
হরমুজে প্রবেশের চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে: ইরান | Collector
হরমুজে প্রবেশের চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে: ইরান
Somoy TV

হরমুজে প্রবেশের চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে: ইরান

হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া জাহাজগুলোকে মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে, ডনাল্ড ট্রাম্পের এমন ঘোষণার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান।সোমবার (৪ মে) ইরানের কেন্দ্রীয় কমান্ড প্রধান আলী আবদুল্লাহি বলেন, প্রণালিটির কাছে আসার বা এতে প্রবেশের চেষ্টাকারী ‘যেকোনো বিদেশি সশস্ত্র বাহিনীর’ ওপর হামলা চালানো হবে, ‘বিশেষ করে, আগ্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর ওপর’। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি আরও বলেন, ইরান ‘বারবার’ বলে আসছে যে প্রণালিটি ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। এ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত ‘সর্বাবস্থায়’ তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে করতে হবে। এর আগে স্থানীয় সময় রোববার (৩ মে) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে ‘মুক্ত করতে সাহায্য করবে’ যুক্তরাষ্ট্র। আরও পড়ুন: হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পরিকল্পনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে ধরা হবে: ইরান এই উদ্যোগের নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। ট্রাম্প পোস্টে লিখেন, যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকেরা ইরানের সঙ্গে ‘খুব ইতিবাচক আলোচনা’ করছেন। এই আলোচনা সবার জন্য ইতিবাচক কিছু বয়ে আনতে পারে। ট্রাম্প বলেন, ‘মূলত সেই সব মানুষ, কোম্পানি ও দেশকে মুক্ত করতে জাহাজ চলাচলের এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যারা কোনো অপরাধ করেনি। তারা পরিস্থিতির শিকার।’ আরও পড়ুন: ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব দিলো যুক্তরাষ্ট্র ট্রাম্প জানান, জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।  এই কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান। তথ্যসূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা

Go to News Site