Collector
বিজয়ের ব্যাটে ঝড়, হৃদয়-রাব্বির দৃঢ়তায় স্বস্তির জয় মোহামেডানের | Collector
বিজয়ের ব্যাটে ঝড়, হৃদয়-রাব্বির দৃঢ়তায় স্বস্তির জয় মোহামেডানের
Jagonews24

বিজয়ের ব্যাটে ঝড়, হৃদয়-রাব্বির দৃঢ়তায় স্বস্তির জয় মোহামেডানের

আগের কয়েক বছর ধরেই তাদের দু’জনের ব্যাটে রানের ফলগুধারা। গত বছরও ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় প্রথম ৫ জনের মধ্যে ছিলেন তারা। এবার দল বদলে এনামুল হক বিজয় আর নাইম শেখকে মোহামেডানে যেতে দেখে সাংবাদিকদের অনেকের মুখেই শোনা গেছে এ কথা, ‘মোহামেডান অনেকদিন পর দু’জন ভাল পারফরমার দলে টেনেছে। যারা ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে পরীক্ষিত পারফরমার। দু’জনই পাল্লা দিয়ে রান করে। দলকে সার্ভিস দেয়।’ তা যে মনগড়া কোনো বক্তব্য নয়- আজ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিনই মিললো তার ইঙ্গিত। সোমবার বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে মোহামেডানের জার্সি গায়ে খেলতে নেমেই ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন এনামুল হক বিজয়। বাঁ-হাতি নাঈম শেখ মাত্র ৫ রানে ফিরে গেলেও বিজয় একপ্রান্ত আগলে রাখার পাশাপাশি মোটামুটি চালিয়ে খেলে ৮৮ বলে ৮০ রানের (৯ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কা) ইনিংস খেলে মোহামেডানের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। সিটি ক্লাবের বিপক্ষে বৃষ্টি ভেজা এ ম্যাচে মোহামেডানের লক্ষ্য ছিল ১৯৪। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের বেশ বিলম্বে শুরু হলে ৫০ ওভারের খেলা ছোট হয়ে ৩৭ ওভারে আকার নেয়। অধিনায়ক মেহেদি মারুফ আর ঢাকা লিগের পরীক্ষিত পারফরমার টপ অর্ডার ব্যাটার মিজানুর কিছু করতে না পারলেও ওপেনার সাদিকুর রহমান (৬৩ বলে ৫৬ রান) হাফ ঞ্চেুরি করেন। মিডল অর্ডারে আহরার আমিন পাইন (৪১ বলে ৩১), সাজ্জাদুল রিপন (৩১ বলে ২৯) এবং আনামুল হক আনাম (৪৪ বলে ৩৫ নট আউট) তিনটি কার্যকর ইনিংস খেললে সিটি ক্লাব দু’শোর কাছে পৌঁছে যায়। প্রথমবার মোহামেডানে আসা দীর্ঘ দেহী অফস্পিনার নাইম আহমেদ ২০ রানে ৪ উইকেট দখল করে সিটি ক্লাবের মিডল অর্ডারে ভাঙ্গন ধরান। না হয় মোহামেডানকে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতো। পেসার রিপন মন্ডল (২/৪৯) আর লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন (২/৩৯) দুই উইকেট করে পেলেও রান দিয়ে ফেলেছেন প্রচুর। জবাবে মোহামেডান শুরুতে দুই বাঁ-হাতি নাইম শেখ (৫) ও পারভেজ হোসেন ইমনকে (০) হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। বিজয় একদিক আগলে রাখলেও আফিফ (৫২ বলে ২৭) চার নম্বরে বেশি স্লো খেললে মোহামেডানের চাপ বেড়ে যায়। অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় (৩৫ বলে ৩৪) প্রায় বল পিছু রান তুলে হিসেব সহজ করার চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু দল জিতিয়ে সাজঘরে ফিরতে পারেননি। সেই কাজটি করেছেন ইয়াসির আলী রাব্বি। ৬ নম্বরে নেমে ২৩ বলে ৩৬ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। দিনের ১০ বল আগে মোহামেডান পায় ৫ উইকেটের স্বস্তির জয়। সংক্ষিপ্ত স্কোর সিটি ক্লাব: ১৯৪/৯, ৩৭ ওভার (সাদিকুর রহমান ৫৬, মেহেদি মারুফ ১, মিজানুর ০, আব্দুল্লাহ আল মামুন ৬, সাজ্জাদুল রিপন ২৯, আনামুল হক আনাম ৩৫ নট আউট, নাইম আহমেদ ৪/২০, রিপন মন্ডল ২/৪৯, রিশাদ ২/৩৯)। মোহামেডান: ১৯৫/৫, ৩৫.২ ওভার (এনামুল হক বিজয় ৮০, নাইম শেখ ৫, পারভেজ ইমন ০, আফিফ ২৭, তাওহিদ হৃদয় ৩৪, ইয়াসির আলী রাব্বি ৩৬*, সাইফউদ্দীন ৭*; নিহাদউজ্জামান ২/৩৭, গাফফার সাকলাইন ১/৪৫, আনামুল হক আনাম ১/৩৩, এনামুল হক আশিক ১/৩৪)। ফল: মোহামেডান ৫ উইকেটে জয়ী। এআরবি/আইএইচএস/

Go to News Site