Somoy TV
চট্টগ্রামে আসন্ন কোরবানির ঈদে গবাদিপশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি পশু। ফলে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার ৫২০টি। এই ঘাটতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা গরু দিয়ে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।চট্টগ্রামে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত গড়ে উঠেছে অসংখ্য পশুখামার। এসব খামারে দেশীয় গরুর পাশাপাশি বিদেশি জাতের গরুও লালন-পালন করা হচ্ছে। উৎপাদিত পশুর মধ্যে রয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯টি গরু, ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪টি মহিষ এবং ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি ছাগল। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর জানান, ঘাটতি পূরণে নাটোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহসহ তিন পার্বত্য জেলা থেকে গরু আনা হবে। দেশের বাইরে থেকে যাতে অবৈধভাবে গরু ঢুকতে না পারে, সে জন্যও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দেশীয় গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। এদিকে, শহরের শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা এখন হাটবাজারের পরিবর্তে সরাসরি খামার থেকেই কোরবানির পশু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। খামারগুলোতে শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু পাওয়া যাচ্ছে। আরও পড়ুন: কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি নেই, উদ্বৃত্ত থাকতে পারে ২২ লাখের বেশি: মন্ত্রী খামারিদের দাবি, স্টেরয়েডমুক্ত প্রাকৃতিক খাবারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। খামারিরা বলছেন, কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয় না; বরং প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই গরু বড় করা হয়েছে এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে। ইউনিচেম অ্যাগ্রোর মালিক ইয়াসফি ইয়ানাত চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের মানুষের লাল রঙের গরুর চাহিদা বেশি। তাই শাহীওয়াল, ব্রাহমা ক্রস ও দেশি জাতের লাল গরু রাখার চেষ্টা করেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপডেট দেখে ক্রেতারা পরিবারসহ এসে গরু পছন্দ করছেন। চট্টগ্রামে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১১ হাজারের বেশি খামার রয়েছে। এছাড়া কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নগরী ও জেলায় শতাধিক মৌসুমি খামারও গড়ে ওঠে।
Go to News Site