Jagonews24
জেরেমি ডোকুর শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোলে নাটকীয়ভাবে পয়েন্ট উদ্ধার করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ওই গোলের এভারটনের বিপক্ষে ৩-৩ সমতায় মাঠ ছেড়েছে সিটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ভেঙে পড়ার কারণে শিরোপা দৌড়ে বড় সুবিধা পেয়ে গেছে আর্সেনাল। প্রথমার্ধের খেলা শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল সিটি। কিন্তু বিরতির পর পুরোপুরি ছন্দ হারিয়ে ফেলে তারা এবং ম্যাচের শেষ দিকে গিয়ে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়েও পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত নাটকীয়ভাবে সমতা ফেরালেও এই ফলাফল তাদের জন্য স্বস্তির চেয়ে হতাশাই বেশি এনে দিয়েছে। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখলেও গোল পেতে ম্যানসিটিকে অপেক্ষায় থাকতে হয় ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। এর আগে অবশ্য বড় এক বিপদ থেকেও বেঁচে যায় তারা জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা দারুণভাবে একটি ক্রস থামানোর পর বেটোর সহজ ট্যাপ-ইন ঠেকান। শেষ পর্যন্ত ছন্দময় খেলতে জেরেমি ডকু দারুণ ফিনিশিংয়ে এগিয়ে দেন দলকে। রায়ন চেরকির সহজ পাস থেকে জালে জড়িয়ে দেন তিনি। বিরতির পর একেবারেই ভেঙে পড়ে পেপ গার্দিওলা শিষ্যরা। সিটির ছন্দ ও নিয়ন্ত্রণহীন খেলায় মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে মোড় ঘুরিয়ে দেয় এভারটন। এর আগে ইলিমান এনদিয়ায়ের দুটি শক্তিশালী শট দারুণভাবে ঠেকাতে হয় গোলরক্ষক দোন্নারুমাকে। কিন্তু এরপর অপ্রত্যাশিত ভুল করেন মার্ক গুয়েহি। সরাসরি বল তুলে দেন বদলি হিসেবে নামা থিয়েরনো ব্যারির পায়ে। সুযোগ পেয়ে কোনো ভুল করেননি তিনি, সহজেই জালে পাঠান সমতার গোল। প্রথমে কিছুটা বিভ্রান্তি থাকলেও পরে ভিএআর যাচাই শেষে গোলটি বৈধ হিসেবে নিশ্চিত করা হয়। পাঁচ মিনিটের কিছু বেশি সময় পরই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা । কর্নার থেকে আসা বলে হেড করতে ব্যর্থ হন আর্লিং হালান্ড। সেই সুযোগে পেছন থেকে জোরালো শটে গোল করেন জেক ও\'ব্রেইন ৭৩ মিনিটে। এরপর আরও নাটকীয়ভাবে ব্যবধান বাড়ায় ডেভিড ময়েসের দল। মার্লিন রোহলের লক্ষ্যভ্রষ্ট শট ডিফ্লেক্ট হয়ে জালে ঢুকিয়ে দেন থিয়েরি ব্যারি। তখন ম্যাচের বাকি মাত্র নয় মিনিট। তবে হাল ছাড়েনি ম্যান সিটি। দ্রুতই পাল্টা আক্রমণে গিয়ে গোল শোধ করেন হালান্ড, দৌড়ে গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল তুলে দেন জর্ডান পিকফোর্ডের ওপর দিয়ে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ, এমনকি শিরোপার দৌড়ও যখন হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই আবারও জাদু দেখান জেরেমি ডোকু। যোগ করা সময়ে ৯৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে ম্যান সিটিকে ম্যাচে ফেরান তিনি। প্রথম গোলের মতোই এবারও বক্সের প্রান্ত থেকে কার্লিং শট নেন, তবে ডান পায়ে নেওয়া সেই শট ছিল অপ্রতিরোধ্য। কোনো সুযোগই পাননি জর্ডান পিকফোর্ড। শেষ মুহূর্তের এই গোলে ড্র নিশ্চিত হলেও শিরোপা দৌঁড়ে পিছিয়েই থাকলো সিটি। চার ম্যাচ বাকি থাকতে তারা এখনও আর্সেনালের চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে। আইএন
Go to News Site