Collector
মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা মনিরের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, দেশের বাড়িতে শোকের ছায়া | Collector
মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা মনিরের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, দেশের বাড়িতে শোকের ছায়া
Somoy TV

মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা মনিরের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, দেশের বাড়িতে শোকের ছায়া

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে একবুক স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন ফরিদপুরের মধুখালীর তরুণ মো. মনির হোসেন (২৮)। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন এই রেমিট্যান্সযোদ্ধা।গত শনিবার (২ মে) মালয়েশিয়ার কেলাং দক্ষিণ বন্দরে নিজ কর্মস্থল থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ২০২২-২৩ সালে প্রায় ছয় লাখ টাকা ঋণ করে কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন মনির। সেখানে একটি কোম্পানিতে নৈশপ্রহরীর কাজ করতেন তিনি। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ডিউটিতে যোগ দিলেও পরদিন সকালে কারখানার ভেতরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে মৃত্যুর ধরন নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম রহস্য। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মনিরের মরদেহটি মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। এছাড়া ঘটনার পর থেকেই পাশের কক্ষের পাঁচ বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, তা নিয়ে স্থানীয় প্রবাসী ও স্বজনদের মধ্যে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।  আরও পড়ুন: বাংলাদেশি ইউটিউবার নিহত: অভিযুক্ত মালয়েশীয় সেনাসদস্যের হতে পারে মৃত্যুদণ্ড যদিও প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বিষয়টিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, মনিরের মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়ি মধুখালীর বনমালিদিয়া মিয়াপাড়ায় পৌঁছালে শোকের মাতম শুরু হয়। বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যাকে রেখে যাওয়া মনিরের এমন অকাল মৃত্যুতে দিশেহারা পরিবারটি। ঋণের বোঝা আর প্রবাস জীবনের কঠোর বাস্তবতাই এই পরিণতির কারণ কি না, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। বর্তমানে মনিরের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা আছে। একই কোম্পানিতে কর্মরত বড় ভাই মো. কামরুল শেখ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতি সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

Go to News Site