Somoy TV
দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এ অবস্থায় দেশে হাম নিয়ে একমাত্র পরীক্ষাগার রাজধানীর মহাখালীতে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরিতে রয়েছে কীটের স্বল্পতা। জানালেন সংস্থাটির পরিচালক ডা. মো. মমিনুর রহমান।হামের এমন ঊর্ধ্বমুখী আচরণের মধ্যেই নতুন সংকট হাম শনাক্তের কীট স্বল্পতা। দেশে হামের একমাত্র পরীক্ষাগার রাজধানীর মহাখালীতে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরিতে রয়েছে কীটের স্বল্পতা বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে যে হারে হামের পরীক্ষা করা হচ্ছে, তাতে আগামী কয়েকদিনের কীট মজুত আছে। যদিও তারা জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আসবে চাহিদামত কীট। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. মো. মমিনুর রহমান সময় সংবাদকে বলেন, কীটের সংকট নয় নমুনার তুলনায় কিছুটা স্বল্পতা আছে। বর্তমানে ১৩টি কীট আছে, এতে ১২০০এর মত নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। তবে প্রতিদিন ৩০০ এর মতো নমুনা আসে এখানে, বর্তমানে অপেক্ষায় আছে ৭ হাজারের বেশি নমুনা। দুই একদিনের মধ্যে আরও ৩০টি কীট এবং এক সপ্তাহ পর ১০০টি কীট পাওয়া যাবে। এক সপ্তাহের মধ্যের স্বল্পতা কেটে যাবে। ছবিটি প্রতীকী। ফেব্রুয়ারিতেই চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও বলে জানান তিনি। জানা যায়, প্রতিদিন সারা দেশ থেকে গড়ে ৩০০ রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরীক্ষাগারে আসে। এরই মধ্যে ৭ হাজারের বেশি নমুনা জমা রয়েছে পরীক্ষার জন্য। এদিকে হাম ও হামের উপসর্গে সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে আরও ছয় শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। তারা ঢাকায় মারা গেছে। হামের উপসর্গ ছিল চার শিশুর। তাদের মধ্যে খুলনা ও রাজশাহীতে একজন করে এবং সিলেটে দুজন মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ ও হামে দেশে ২৬৩ শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৫৪ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৯ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৯ হাজার ৮৩১ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ২৬ হাজার ৩৬৮ শিশু।
Go to News Site