Somoy TV
কলকাতা নিউমার্কেটের কাছে বিজেপির বিজয় মিছিল থেকে বুলডোজার দিয়ে মাংসের দোকান ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন।ডেরেক অভিযোগ করেছেন, পুলিশের অনুমতি নিয়েই এই বিজয় মিছিল বের করা হয়েছিল। সেখান থেকেই সিআরপিএফের উপস্থিতিতে ভাঙা হয় নিউমার্কেটের একটি মাংসের দোকান। ডেরেক নিজের পোস্টে লেখেন, ‘মধ্য কলকাতায় নিউ মার্কেটের কাছে, পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষেই, মাংসের দোকান ভাঙতে বুলডোজার আনা হয়েছে। জয়ের উদ্যাপন হিসেবেই তা করা হয়েছে। সিএপিএফ কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল। আপনাদের জন্য বিজেপি। সারা দুনিয়া দেখুক এই ছবি।’ In central Kolkata, near New Market. With police permission. As part of victory celebrations a bulldozer was brought in to demolish meat shops. CAPF standing around. THE BJP FOR YOU. Let the world see these pictures https://t.co/61HX1HUmf7— Derek O'Brien | ডেরেক ও'ব্রায়েন (@derekobrienmp) May 5, 2026 রিপোর্ট অনুযায়ী, পুলিশের কাছ থেকে বিজয় মিছিলের অনুমতি নেয়া হয়েছিল। তবে ডেরেকের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। জানানো হয়েছে, সেই বিজয় মিছিলে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার কোনো অনুমতি দেয়া হয়নি। এই আবহে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে। আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতা /বীরভূমে প্রাণ গেল তৃণমূল কর্মীর, হাওড়ায় বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা! এক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। নির্বাচনি প্রচারের সময় তৃণমূল বারবার অভিযোগ করেছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করবে। যদিও বিজেপি এই সব অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা মাছ নিয়ে প্রচারে নামে। ভিনরাজ্যের নেতাদের পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এসে আমিষ খেতেও দেখা যায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বলেছিলেন, মাছ-মাংস ছাড়া বাঙালি থাকতে পারবে না। তবে ভোটের পরে এই ঘটনায় নয়া হাতিয়ার পেল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় রাজ্য বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় দিয়ে এসেছেন। আরও পড়ুন: পদত্যাগ না করলে মমতাকে বরখাস্তের আহ্বান আসামের মুখ্যমন্ত্রীর! বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো সংঘাতে বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
Go to News Site